English / বাংলা
Editorial News 24

মঙ্গলবার চীন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে বিশেষ দূত পাঠাবে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্রকে চরম শিক্ষা দিতে চায় ইরান


প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

 যুক্তরাষ্ট্রকে চরম শিক্ষা দিতে চায় ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আট মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। তবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ এবং ভবিষ্যতে নতুন করে হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো সমঝোতায় রাজি নয় ইরান। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের ওপর নিজেদের প্রভাবকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান।

মঙ্গলবার চীন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে বিশেষ দূত পাঠাবে বেইজিং। এর আগে সোমবার সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত আগস্টে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করা দেশ তিনটি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের লক্ষ্য শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়। বরং এমন একটি প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে বারবার হামলা চালানোর সুযোগ না পায়।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে ‘দ্য ইরান পডকাস্ট’-এর উপস্থাপক নেগার মোর্তাজাভি বলেন, ইরানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এবং ভবিষ্যতে হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর প্রতিরোধ নিশ্চিত করা।

 যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করতে পারছে না তেহরান

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং ভবিষ্যতে নতুন করে হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা দাবি করছে। বিনিময়ে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তেহরান। তবে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির আগে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে ছাড় চায় ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের এই অনাস্থার পেছনে রয়েছে অতীতের অভিজ্ঞতা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চলার সময়ই ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের শুরু করা ১২ দিনের যুদ্ধেও সরাসরি যোগ দিয়েছিল ওয়াশিংটন।

চলতি বছরের জুনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের বন্দরে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং পারমাণবিক আলোচনা শুরুর পথ তৈরি করা। কিন্তু দুই পক্ষের মধ্যে আবারও হামলা শুরু হলে সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির গবেষক সিনা তুসির মতে, অতীতের আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি ইরানকে নতুন হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে পারেনি। তাই এবার তেহরান আরও কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী নিশ্চয়তা চাইছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নির্বাচনেও নজর ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ইসরায়েলের নির্বাচনও ইরানের কৌশলগত হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপ মার্কিন রাজনীতিতে অস্বস্তি বাড়িয়েছে।

রয়টার্স ও ইপসোসের এক জরিপ অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন মাত্র ৩৪ শতাংশ। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতাও খুব সামান্য। নির্বাচনে দলটি খারাপ ফল করলে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের স্বাধীনতা আরও সীমিত হতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নির্বাচনে পরাজিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন করে হামলা শুরুর উদ্যোগ জটিল হয়ে উঠতে পারে। তবে বিরোধী নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট ক্ষমতায় এলেও ইরান নিয়ে ইসরায়েলের নীতি নমনীয় হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

হরমুজ প্রণালিকে শক্তিশালী কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে দেখছে ইরান

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ইরানকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিয়েছে।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে হরমুজ প্রণালির আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে ইরানের একটি ট্যাংকারে হামলার পর পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যুদ্ধের আগে এই দাম ছিল প্রায় ৭২ ডলার।বিশ্লেষক ক্রিস বিউচ্যাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চাপের লড়াইয়ে ইরান অর্থনৈতিক ক্ষতিকেও কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনড় তেহরান

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো উত্তেজনা কমিয়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করা। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছে, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে সংকটের সমাধান হবে না। ভবিষ্যতে নতুন করে হামলার আশঙ্কা দূর করে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে হবে।ওয়াশিংটনের প্রতি গভীর অনাস্থা এবং হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব ধরে রাখার অবস্থান থেকে আপাতত সরে আসতে রাজি নয় তেহরান।

সূত্র: আল-জাজিরা



আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রকে চরম শিক্ষা দিতে চায় ইরান

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আট মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। তবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ এবং ভবিষ্যতে নতুন করে হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো সমঝোতায় রাজি নয় ইরান। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের ওপর নিজেদের প্রভাবকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান।

মঙ্গলবার চীন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে বিশেষ দূত পাঠাবে বেইজিং। এর আগে সোমবার সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত আগস্টে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করা দেশ তিনটি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের লক্ষ্য শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়। বরং এমন একটি প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে বারবার হামলা চালানোর সুযোগ না পায়।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে ‘দ্য ইরান পডকাস্ট’-এর উপস্থাপক নেগার মোর্তাজাভি বলেন, ইরানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধের স্থায়ী অবসান এবং ভবিষ্যতে হামলার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর প্রতিরোধ নিশ্চিত করা।

 যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করতে পারছে না তেহরান

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং ভবিষ্যতে নতুন করে হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা দাবি করছে। বিনিময়ে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তেহরান। তবে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির আগে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে ছাড় চায় ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের এই অনাস্থার পেছনে রয়েছে অতীতের অভিজ্ঞতা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চলার সময়ই ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের শুরু করা ১২ দিনের যুদ্ধেও সরাসরি যোগ দিয়েছিল ওয়াশিংটন।

চলতি বছরের জুনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের বন্দরে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং পারমাণবিক আলোচনা শুরুর পথ তৈরি করা। কিন্তু দুই পক্ষের মধ্যে আবারও হামলা শুরু হলে সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির গবেষক সিনা তুসির মতে, অতীতের আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি ইরানকে নতুন হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে পারেনি। তাই এবার তেহরান আরও কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী নিশ্চয়তা চাইছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নির্বাচনেও নজর ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ইসরায়েলের নির্বাচনও ইরানের কৌশলগত হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপ মার্কিন রাজনীতিতে অস্বস্তি বাড়িয়েছে।

রয়টার্স ও ইপসোসের এক জরিপ অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন মাত্র ৩৪ শতাংশ। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতাও খুব সামান্য। নির্বাচনে দলটি খারাপ ফল করলে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের স্বাধীনতা আরও সীমিত হতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নির্বাচনে পরাজিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন করে হামলা শুরুর উদ্যোগ জটিল হয়ে উঠতে পারে। তবে বিরোধী নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট ক্ষমতায় এলেও ইরান নিয়ে ইসরায়েলের নীতি নমনীয় হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

হরমুজ প্রণালিকে শক্তিশালী কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে দেখছে ইরান

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ইরানকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিয়েছে।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে হরমুজ প্রণালির আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে ইরানের একটি ট্যাংকারে হামলার পর পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যুদ্ধের আগে এই দাম ছিল প্রায় ৭২ ডলার।বিশ্লেষক ক্রিস বিউচ্যাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চাপের লড়াইয়ে ইরান অর্থনৈতিক ক্ষতিকেও কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনড় তেহরান

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো উত্তেজনা কমিয়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করা। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছে, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে সংকটের সমাধান হবে না। ভবিষ্যতে নতুন করে হামলার আশঙ্কা দূর করে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে হবে।ওয়াশিংটনের প্রতি গভীর অনাস্থা এবং হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের কৌশলগত প্রভাব ধরে রাখার অবস্থান থেকে আপাতত সরে আসতে রাজি নয় তেহরান।

সূত্র: আল-জাজিরা




Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0