রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে সকালে অভিযান চালানোর পর ফের দখল শুরু হয়। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। দুই দফার অভিযানেই নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মিরপুর-১ নম্বরে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা হয়। তবে অভিযান শেষে প্রশাসনের লোকজন চলে যাওয়ার পর দুপুরের মধ্যেই আবারও ওই স্থানগুলো দখল হয়ে যায়।বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যায় আবারও অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রশাসককে সহযোগিতা করেন স্থানীয় পুলিশ, ডিসি, ডিএনসিসির দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ।
নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং ফুটপাত পুনরায় দখল হওয়া ঠেকাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছে ডিএনসিসি প্রশাসন। এ বিষয়ে তারা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
সকালের অভিযানে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘আজ শুধু ফুটপাত উচ্ছেদের অভিযান নয়। আমি বারবার বলেছি, ঢাকা শহরের যেসব জায়গায় এ ধরনের জঞ্জাল রয়েছে এবং যেগুলো আমার প্রিয় নগরবাসীর হাঁটাচলায় বাধা সৃষ্টি করছে, প্রতিটি জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। প্রতিটি জায়গার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে, জনগণের হাঁটাচলার রাস্তা তাদের বুঝিয়ে দেওয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব।’
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে সকালে অভিযান চালানোর পর ফের দখল শুরু হয়। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। দুই দফার অভিযানেই নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মিরপুর-১ নম্বরে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা হয়। তবে অভিযান শেষে প্রশাসনের লোকজন চলে যাওয়ার পর দুপুরের মধ্যেই আবারও ওই স্থানগুলো দখল হয়ে যায়।বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যায় আবারও অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রশাসককে সহযোগিতা করেন স্থানীয় পুলিশ, ডিসি, ডিএনসিসির দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ।
নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং ফুটপাত পুনরায় দখল হওয়া ঠেকাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছে ডিএনসিসি প্রশাসন। এ বিষয়ে তারা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
সকালের অভিযানে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘আজ শুধু ফুটপাত উচ্ছেদের অভিযান নয়। আমি বারবার বলেছি, ঢাকা শহরের যেসব জায়গায় এ ধরনের জঞ্জাল রয়েছে এবং যেগুলো আমার প্রিয় নগরবাসীর হাঁটাচলায় বাধা সৃষ্টি করছে, প্রতিটি জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। প্রতিটি জায়গার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে, জনগণের হাঁটাচলার রাস্তা তাদের বুঝিয়ে দেওয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব।’
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন