English / বাংলা
Editorial News 24

ঘটনার দুই দিন পর গণমাধ্যমের কাছে সেদিনের পরিস্থিতি ও নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা।

শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনায় মুখ খুললেন ভুক্তভোগীর বাবা


প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

 শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনায় মুখ খুললেন ভুক্তভোগীর বাবা

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছয় বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ কথা শোনার পর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে তিনি ওই শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনও তার সঙ্গে যোগ দেন।

ঘটনার দুই দিন পর গণমাধ্যমের কাছে সেদিনের পরিস্থিতি ও নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা।শাহজালাল রুমি জানান, তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিলেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক সেখানে এলে তিনি তার কাছে জানতে চান, আসলে কী ঘটেছিল। রুমির দাবি, তখন ওই শিক্ষক জোরাজুরি করার পাশাপাশি তার মেয়েকে চুমু দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ কথা শোনার পর একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি নিজেকে সামলাতে পারেননি বলে জানান।ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে করা মামলাকে সত্য আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন রুমি। পাশাপাশি মাদ্রাসা থেকে টাকা লুট ও ভাঙচুরের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।টাকা লুটের অভিযোগের বিষয়ে রুমি বলেন, ১৭ লাখ টাকা নেওয়ার দাবি সত্য হলে মাদ্রাসার সিসিটিভি ফুটেজে তা দেখানোর আহ্বান জানান তিনি। তার দাবি, মাদ্রাসায় একটি প্রায় তিন মিলিমিটার পুরু কাচে হাত দেওয়ার পর সেটি ভেঙে যায়। তবে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ভাঙচুর করেছেন—এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ ছাড়া মারধরের ঘটনার দুই দিন আগে অভিযুক্ত শিক্ষক বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাসায় গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শাহজালাল রুমি। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক হোয়াটসঅ্যাপে শিশুটির মাকে বার্তা দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে চান এবং বাসার সামনে অবস্থান করছেন বলে জানান। পরে রাস্তায় শিশুটির নানার সঙ্গে দেখা করে ওই শিক্ষক আর এমন কাজ করবেন না বলেও আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।ছয় বছরের শিশুটির সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তার বাবা। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্যও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনায় মুখ খুললেন ভুক্তভোগীর বাবা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছয় বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ কথা শোনার পর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে তিনি ওই শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনও তার সঙ্গে যোগ দেন।

ঘটনার দুই দিন পর গণমাধ্যমের কাছে সেদিনের পরিস্থিতি ও নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা।শাহজালাল রুমি জানান, তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেছিলেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক সেখানে এলে তিনি তার কাছে জানতে চান, আসলে কী ঘটেছিল। রুমির দাবি, তখন ওই শিক্ষক জোরাজুরি করার পাশাপাশি তার মেয়েকে চুমু দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ কথা শোনার পর একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি নিজেকে সামলাতে পারেননি বলে জানান।ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে করা মামলাকে সত্য আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন রুমি। পাশাপাশি মাদ্রাসা থেকে টাকা লুট ও ভাঙচুরের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।টাকা লুটের অভিযোগের বিষয়ে রুমি বলেন, ১৭ লাখ টাকা নেওয়ার দাবি সত্য হলে মাদ্রাসার সিসিটিভি ফুটেজে তা দেখানোর আহ্বান জানান তিনি। তার দাবি, মাদ্রাসায় একটি প্রায় তিন মিলিমিটার পুরু কাচে হাত দেওয়ার পর সেটি ভেঙে যায়। তবে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ভাঙচুর করেছেন—এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ ছাড়া মারধরের ঘটনার দুই দিন আগে অভিযুক্ত শিক্ষক বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাসায় গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শাহজালাল রুমি। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক হোয়াটসঅ্যাপে শিশুটির মাকে বার্তা দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে চান এবং বাসার সামনে অবস্থান করছেন বলে জানান। পরে রাস্তায় শিশুটির নানার সঙ্গে দেখা করে ওই শিক্ষক আর এমন কাজ করবেন না বলেও আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।ছয় বছরের শিশুটির সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তার বাবা। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্যও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0