সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় রিয়াদের কাছে বিস্তারিত তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়েছে ঢাকা। তবে এখনো সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জবাব পায়নি বাংলাদেশ।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আদালতের রায়ের অনুলিপি, দণ্ডিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অপরাধের সুনির্দিষ্ট বিবরণ এবং কেন বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনকে বিষয়টি জানানো হয়নি, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
সৌদি সরকারি গণমাধ্যমের বরাতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে অশালীন বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এক পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কূটনৈতিক নিয়ম ও প্রথা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে বিষয়টির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, সৌদি সরকারের কাছ থেকে মামলার বিস্তারিত তথ্য, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আদালতের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ সরকার।
শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্সের দিক থেকে সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বর্তমানে দেশটিতে আনুমানিক ৩৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ কারণে প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণের পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে বিবেচিত হচ্ছে।এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় রিয়াদের কাছে বিস্তারিত তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়েছে ঢাকা। তবে এখনো সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জবাব পায়নি বাংলাদেশ।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আদালতের রায়ের অনুলিপি, দণ্ডিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অপরাধের সুনির্দিষ্ট বিবরণ এবং কেন বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনকে বিষয়টি জানানো হয়নি, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
সৌদি সরকারি গণমাধ্যমের বরাতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে অশালীন বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এক পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কূটনৈতিক নিয়ম ও প্রথা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে বিষয়টির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, সৌদি সরকারের কাছ থেকে মামলার বিস্তারিত তথ্য, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আদালতের রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ সরকার।
শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্সের দিক থেকে সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বর্তমানে দেশটিতে আনুমানিক ৩৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ কারণে প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণের পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল বলে বিবেচিত হচ্ছে।এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন