মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ত্রিভুজ প্রেমের জেরে আব্দুল জব্বার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. মন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২০ দিন পর গত শনিবার বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ট্যাংরা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার মন্টু মিয়া (৫৫) ঢাকার লালবাগ থানার ৮ নম্বর কাশ্মীরি টোলা লেন এলাকার মৃত স্বপন মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত জব্বারের স্ত্রী মিনারা আক্তার বাদী হয়ে মন্টুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। জব্বার দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সচিবালয়ে আউটসোর্সিং ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, মন্টুর স্ত্রী রুবিনা বেগমের সঙ্গে জব্বারের পরিচয় থেকে একপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় দুই বছর আগে মন্টু, রুবিনা ও জব্বার শ্রীনগরের পশ্চিম খৈয়াগাঁও এলাকায় একটি বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে বসবাস শুরু করেন।প্রায় ছয় মাস আগে রুবিনা গোপনে জব্বারকে বিয়ে করেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর মন্টুর সঙ্গে জব্বারের বিরোধ তৈরি হয়। পরে রুবিনা মন্টুকে তালাক দিয়ে জব্বারের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ বিরোধের জেরেই গত ১৬ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে ওই বাড়িতে যান মন্টু। সেখানে জব্বারের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জব্বারকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।পরে গুরুতর আহত জব্বারকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে ওইদিন রাত ৮টা ৫০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের নির্দেশনায় শ্রীনগর থানা পুলিশ মন্টুকে গ্রেফতারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও সোর্সের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীপুরের ট্যাংরা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার মন্টু মিয়াকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ত্রিভুজ প্রেমের জেরে আব্দুল জব্বার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. মন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২০ দিন পর গত শনিবার বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ট্যাংরা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার মন্টু মিয়া (৫৫) ঢাকার লালবাগ থানার ৮ নম্বর কাশ্মীরি টোলা লেন এলাকার মৃত স্বপন মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত জব্বারের স্ত্রী মিনারা আক্তার বাদী হয়ে মন্টুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। জব্বার দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সচিবালয়ে আউটসোর্সিং ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, মন্টুর স্ত্রী রুবিনা বেগমের সঙ্গে জব্বারের পরিচয় থেকে একপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় দুই বছর আগে মন্টু, রুবিনা ও জব্বার শ্রীনগরের পশ্চিম খৈয়াগাঁও এলাকায় একটি বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে বসবাস শুরু করেন।প্রায় ছয় মাস আগে রুবিনা গোপনে জব্বারকে বিয়ে করেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর মন্টুর সঙ্গে জব্বারের বিরোধ তৈরি হয়। পরে রুবিনা মন্টুকে তালাক দিয়ে জব্বারের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ বিরোধের জেরেই গত ১৬ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে ওই বাড়িতে যান মন্টু। সেখানে জব্বারের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জব্বারকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।পরে গুরুতর আহত জব্বারকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে ওইদিন রাত ৮টা ৫০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের নির্দেশনায় শ্রীনগর থানা পুলিশ মন্টুকে গ্রেফতারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও সোর্সের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীপুরের ট্যাংরা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার মন্টু মিয়াকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন