English / বাংলা
Editorial News 24

আবুল কালাম আযাদ মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রায় ৪ হাজার ৯১৫ দিন পর আপিল করেছেন। ফলে তার আপিলের শুনানি শুরু করা যাবে কি না, সেটিই প্রথমে নির্ধারণ করবেন সর্বোচ্চ আদালত।

১৩ বছর পর আবুল কালামের আপিল, শুনানি চলবে কি না জানা যাবে ৭ সেপ্টেম্বর


প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

১৩ বছর পর আবুল কালামের আপিল, শুনানি চলবে কি না জানা যাবে ৭ সেপ্টেম্বর

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য কি না, সে বিষয়ে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ।সোমবার (৩১ আগস্ট) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

আবুল কালাম আযাদ মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রায় ৪ হাজার ৯১৫ দিন পর আপিল করেছেন। ফলে তার আপিলের শুনানি শুরু করা যাবে কি না, সেটিই প্রথমে নির্ধারণ করবেন সর্বোচ্চ আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।আপিল আবেদনে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ডের রায়

পলাতক অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।

স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এটি ছিল প্রথম রায়।দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন আবুল কালাম আযাদ।

আত্মসমর্পণের আগে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। আপিল করার শর্তে রাষ্ট্রপতির এ সিদ্ধান্তের পরই তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন বলে তার আইনজীবীরা জানান।আত্মসমর্পণের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিল করার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

এর আগে ২১ জানুয়ারি আবুল কালাম আযাদের আইনজীবী মশিউল আলম জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালে ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করার শর্তে এক বছরের জন্য সাজা স্থগিত করা হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন ২২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করে।এখন আবুল কালাম আযাদের আপিলটি নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে করা হয়েছে কি না এবং এই বিলম্ব মার্জনা করে আপিল শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে কি না—৭ সেপ্টেম্বর সেই সিদ্ধান্ত দেবেন আপিল বিভাগ।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


১৩ বছর পর আবুল কালামের আপিল, শুনানি চলবে কি না জানা যাবে ৭ সেপ্টেম্বর

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য কি না, সে বিষয়ে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ।সোমবার (৩১ আগস্ট) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

আবুল কালাম আযাদ মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রায় ৪ হাজার ৯১৫ দিন পর আপিল করেছেন। ফলে তার আপিলের শুনানি শুরু করা যাবে কি না, সেটিই প্রথমে নির্ধারণ করবেন সর্বোচ্চ আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।আপিল আবেদনে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ডের রায়

পলাতক অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।

স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এটি ছিল প্রথম রায়।দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন আবুল কালাম আযাদ।

আত্মসমর্পণের আগে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। আপিল করার শর্তে রাষ্ট্রপতির এ সিদ্ধান্তের পরই তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন বলে তার আইনজীবীরা জানান।আত্মসমর্পণের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিল করার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

এর আগে ২১ জানুয়ারি আবুল কালাম আযাদের আইনজীবী মশিউল আলম জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালে ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করার শর্তে এক বছরের জন্য সাজা স্থগিত করা হয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন ২২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করে।এখন আবুল কালাম আযাদের আপিলটি নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে করা হয়েছে কি না এবং এই বিলম্ব মার্জনা করে আপিল শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে কি না—৭ সেপ্টেম্বর সেই সিদ্ধান্ত দেবেন আপিল বিভাগ।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0