ময়মনসিংহ নগরীতে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। সেই ঘটনার জেরে ওই নারীর ছেলেরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।রোববার (৫ জুলাই) সকালে নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডসংলগ্ন ৩৬ বাড়ি কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাইল্লা রুবেল (৩৫) ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে কয়েকজন ব্যক্তি রুবেলের বাসায় প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহতের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। ওই ঘটনার জেরে অভিযুক্ত নারীর ছেলেরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।খবর পেয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে নিহতের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগও যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সজল ও রনি নামে দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরীতে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। সেই ঘটনার জেরে ওই নারীর ছেলেরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।রোববার (৫ জুলাই) সকালে নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডসংলগ্ন ৩৬ বাড়ি কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কাইল্লা রুবেল (৩৫) ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে কয়েকজন ব্যক্তি রুবেলের বাসায় প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহতের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। ওই ঘটনার জেরে অভিযুক্ত নারীর ছেলেরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।খবর পেয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে নিহতের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগও যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সজল ও রনি নামে দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন