শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে বাবা-মায়ের ওপর নির্যাতন ও পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগে নিজের ছেলেকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়েছেন এক বাবা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইমন (২০) জাজিরা উপজেলার বিকেনগর হাওলাদার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং মঙ্গল বেপারীর ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। নেশার টাকা জোগাড় করতে তিনি প্রায়ই বাবা-মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন এবং তাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তাকে সুপথে ফেরানোর চেষ্টা করলেও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
সবশেষে অতিষ্ঠ হয়ে বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে বাবা মঙ্গল বেপারী নিজেই মাদকসহ ছেলেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে নিয়ে যান।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতে মাদক উদ্ধারের ঘটনা এবং বাবা-মায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর মো. ইমনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত ইমনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, মাদকের ভয়াবহ প্রভাব একটি পরিবারকে কীভাবে ভেঙে দিতে পারে, এ ঘটনাটি তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। তারা তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে বাবা-মায়ের ওপর নির্যাতন ও পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগে নিজের ছেলেকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়েছেন এক বাবা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইমন (২০) জাজিরা উপজেলার বিকেনগর হাওলাদার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং মঙ্গল বেপারীর ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। নেশার টাকা জোগাড় করতে তিনি প্রায়ই বাবা-মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন এবং তাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তাকে সুপথে ফেরানোর চেষ্টা করলেও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
সবশেষে অতিষ্ঠ হয়ে বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে বাবা মঙ্গল বেপারী নিজেই মাদকসহ ছেলেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে নিয়ে যান।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালতে মাদক উদ্ধারের ঘটনা এবং বাবা-মায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর মো. ইমনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত ইমনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, মাদকের ভয়াবহ প্রভাব একটি পরিবারকে কীভাবে ভেঙে দিতে পারে, এ ঘটনাটি তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। তারা তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন