টাঙ্গাইল শহরে আলোচিত গৃহবধূ নাজমা আলম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ বছরের পরিচিত এক মসজিদের মুয়াজ্জিনকে হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিহতের স্বর্ণালংকার কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণ ব্যবসায়কেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মোশাররফ দীর্ঘদিন ধরে নাজমা আলমের পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। প্রায় ১৮ বছর ধরে ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। বিভিন্ন সময় সেখানে খাবার খেতেন এবং প্রয়োজন হলে পরিবারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তাও নিতেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঘটনার দিন বাসায় নাজমা আলম একা ছিলেন। পরিচিত হওয়ায় তিনি অভিযুক্তকে ঘরে প্রবেশ করতে দেন এবং তাকে চা-বিস্কুটও পরিবেশন করেন। পরে সুযোগ বুঝে বাসার ভেতরে থাকা একটি হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আঘাতের পরও ভুক্তভোগী জীবিত ছিলেন। এরপর তাকে বেঁধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার হাতে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
তদন্তে আরও জানা যায়, লুট করা স্বর্ণালংকার সন্তোষ নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও দাবি করেছে, হত্যাকাণ্ডের পর জনমনে সন্দেহ এড়াতে অভিযুক্ত মোশাররফ স্থানীয়দের সঙ্গে হত্যার বিচারের দাবিতেও অংশ নেন। তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন এবং স্থানীয় মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলেও জানা গেছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, প্রযুক্তিগত তথ্য, আলামত সংগ্রহ এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
তবে মামলাটি এখনও বিচারাধীন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে অভিযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
টাঙ্গাইল শহরে আলোচিত গৃহবধূ নাজমা আলম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ বছরের পরিচিত এক মসজিদের মুয়াজ্জিনকে হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিহতের স্বর্ণালংকার কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণ ব্যবসায়কেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মোশাররফ দীর্ঘদিন ধরে নাজমা আলমের পরিবারের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। প্রায় ১৮ বছর ধরে ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। বিভিন্ন সময় সেখানে খাবার খেতেন এবং প্রয়োজন হলে পরিবারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তাও নিতেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঘটনার দিন বাসায় নাজমা আলম একা ছিলেন। পরিচিত হওয়ায় তিনি অভিযুক্তকে ঘরে প্রবেশ করতে দেন এবং তাকে চা-বিস্কুটও পরিবেশন করেন। পরে সুযোগ বুঝে বাসার ভেতরে থাকা একটি হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আঘাতের পরও ভুক্তভোগী জীবিত ছিলেন। এরপর তাকে বেঁধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার হাতে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
তদন্তে আরও জানা যায়, লুট করা স্বর্ণালংকার সন্তোষ নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়েছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও দাবি করেছে, হত্যাকাণ্ডের পর জনমনে সন্দেহ এড়াতে অভিযুক্ত মোশাররফ স্থানীয়দের সঙ্গে হত্যার বিচারের দাবিতেও অংশ নেন। তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন এবং স্থানীয় মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলেও জানা গেছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, প্রযুক্তিগত তথ্য, আলামত সংগ্রহ এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
তবে মামলাটি এখনও বিচারাধীন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে অভিযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন