English / বাংলা
Editorial News 24

৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান, নকআউটে জিতে শেষ ১৬তে মেক্সিকো


প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান, নকআউটে জিতে শেষ ১৬তে  মেক্সিকো

চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে তারা। এর মাধ্যমে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল এল ত্রি।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে একই স্টেডিয়ামে বুলগেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মেক্সিকো। এরপর দীর্ঘ ৪০ বছর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর কোনো জয় পায়নি দলটি। অবশেষে রাউল হিমিনেজ ও হুলিয়ান কিনিওনেসদের হাত ধরে সেই অপেক্ষার অবসান হলো।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। ২২তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক আক্রমণ থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন হুলিয়ান কিনিওনেস। এরপর ৩১তম মিনিটে কিনিওনেসের ফিরতি পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমিনেজ।

বল দখলে এগিয়ে ছিল ইকুয়েডর। ম্যাচে ৫৫.৭ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখলেও কার্যকর আক্রমণ গড়তে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তারা মাত্র পাঁচটি শট নেয়, যার মধ্যে একটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে মেক্সিকো ১৪টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় এবং সেখান থেকেই আসে দুই গোল।

যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ইকুয়েডরের সেন্টারব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের সময় মুখ ঢেকে কথা বলায় ভিএআরের সহায়তায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে ম্যাচ শেষ করে ইকুয়েডর।

বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর ম্যাচটি শুরু হলেও তাতে মেক্সিকোর ছন্দে কোনো প্রভাব পড়েনি। এই জয়ে বিশ্বকাপে আজতেকা স্টেডিয়ামে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তিও ধরে রাখল স্বাগতিকরা।

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছিল মেক্সিকো। পাশাপাশি কোনো গোলও হজম করেনি তারা। সেই দারুণ ফর্ম ধরে রেখে নকআউটের প্রথম বাধাও সফলভাবে পেরিয়ে গেল দলটি।

ম্যাচটিতে ইতিহাসও গড়েছেন মেক্সিকোর ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা করে নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি।

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান, নকআউটে জিতে শেষ ১৬তে মেক্সিকো

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে তারা। এর মাধ্যমে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল এল ত্রি।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে একই স্টেডিয়ামে বুলগেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মেক্সিকো। এরপর দীর্ঘ ৪০ বছর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর কোনো জয় পায়নি দলটি। অবশেষে রাউল হিমিনেজ ও হুলিয়ান কিনিওনেসদের হাত ধরে সেই অপেক্ষার অবসান হলো।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। ২২তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক আক্রমণ থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন হুলিয়ান কিনিওনেস। এরপর ৩১তম মিনিটে কিনিওনেসের ফিরতি পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমিনেজ।

বল দখলে এগিয়ে ছিল ইকুয়েডর। ম্যাচে ৫৫.৭ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখলেও কার্যকর আক্রমণ গড়তে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তারা মাত্র পাঁচটি শট নেয়, যার মধ্যে একটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে মেক্সিকো ১৪টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় এবং সেখান থেকেই আসে দুই গোল।

যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ইকুয়েডরের সেন্টারব্যাক পিয়েরো হেনকাপিয়ে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের সময় মুখ ঢেকে কথা বলায় ভিএআরের সহায়তায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে ম্যাচ শেষ করে ইকুয়েডর।

বজ্রঝড়ের কারণে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর ম্যাচটি শুরু হলেও তাতে মেক্সিকোর ছন্দে কোনো প্রভাব পড়েনি। এই জয়ে বিশ্বকাপে আজতেকা স্টেডিয়ামে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তিও ধরে রাখল স্বাগতিকরা।

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছিল মেক্সিকো। পাশাপাশি কোনো গোলও হজম করেনি তারা। সেই দারুণ ফর্ম ধরে রেখে নকআউটের প্রথম বাধাও সফলভাবে পেরিয়ে গেল দলটি।

ম্যাচটিতে ইতিহাসও গড়েছেন মেক্সিকোর ১৭ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা করে নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি।

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0