সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বৃদ্ধা মায়ের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বৃদ্ধা মায়ের মুখে লাথি মারায় তার একাধিক দাঁত ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। ভুক্তভোগী বৃদ্ধা তারই মা।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মনিরুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এ সময় তিনি বৃদ্ধা মায়ের মুখে লাথি মারলে তার দাঁত ভেঙে যায় এবং মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বৃদ্ধা মায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বৃদ্ধা মায়ের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বৃদ্ধা মায়ের মুখে লাথি মারায় তার একাধিক দাঁত ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। ভুক্তভোগী বৃদ্ধা তারই মা।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মনিরুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে মায়ের ওপর হামলা চালান। এ সময় তিনি বৃদ্ধা মায়ের মুখে লাথি মারলে তার দাঁত ভেঙে যায় এবং মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বৃদ্ধা মায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন