শনিবার (২৭ জুন) ভোরে উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মাস্টারের বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাজল আক্তার ওই এলাকার কুয়েতপ্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, তাঁর হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল এবং মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। এছাড়া মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দুর্বৃত্তরা টিনের ছাদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় একই ঘরে থাকা তিন বছরের শিশুসন্তান অক্ষত অবস্থায় ঘুমিয়ে ছিল।
নিহতের ভাশুর ইসমাইল হোসেন জানান, ভোরে ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় তিনি ছোট ভাইয়ের ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। দরজায় বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের ডাকেন। পরে পাশের বাড়ি থেকে দেখা যায়, ঘরের টিনের ছাদের একটি অংশ কাটা। এরপর ঘরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় কাজল আক্তারের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের বাবা রশিদ আহমদ পাটোয়ারী বলেন, প্রায় ১৭ বছর আগে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরই জামাতা বিদেশে চলে যান। তাঁর দাবি, জায়গাজমি নিয়ে কাজলের সঙ্গে তাঁর ভাশুরের বিরোধ ছিল। তবে এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে এটি চুরি বা ডাকাতির ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ শুরু করেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
শনিবার (২৭ জুন) ভোরে উপজেলার আমজাদহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মাস্টারের বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাজল আক্তার ওই এলাকার কুয়েতপ্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, তাঁর হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল এবং মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। এছাড়া মাথায় ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দুর্বৃত্তরা টিনের ছাদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় একই ঘরে থাকা তিন বছরের শিশুসন্তান অক্ষত অবস্থায় ঘুমিয়ে ছিল।
নিহতের ভাশুর ইসমাইল হোসেন জানান, ভোরে ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় তিনি ছোট ভাইয়ের ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। দরজায় বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের ডাকেন। পরে পাশের বাড়ি থেকে দেখা যায়, ঘরের টিনের ছাদের একটি অংশ কাটা। এরপর ঘরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় কাজল আক্তারের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের বাবা রশিদ আহমদ পাটোয়ারী বলেন, প্রায় ১৭ বছর আগে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরই জামাতা বিদেশে চলে যান। তাঁর দাবি, জায়গাজমি নিয়ে কাজলের সঙ্গে তাঁর ভাশুরের বিরোধ ছিল। তবে এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে এটি চুরি বা ডাকাতির ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ শুরু করেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন