লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিচার দাবিতে স্বজন ও এলাকাবাসী থানার সামনে মরদেহ রেখে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।
বুধবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মেহেদীর মরদেহবাহী গাড়ি রামগঞ্জ থানার প্রধান ফটকের সামনে নিয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করেন স্বজনরা। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা কর্মসূচিতে নিহতের মা–বাবা, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। তারা দাবি করেন, মেহেদীকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তি চান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে মেহেদীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে, পরে প্রতিষ্ঠানটি সাত দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মুঠোফোন চুরির অভিযোগে মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে মেহেদী আত্মহত্যা করতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ ও পরিবারের দাবিকে ঘিরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। পরে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
ওসি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিচার দাবিতে স্বজন ও এলাকাবাসী থানার সামনে মরদেহ রেখে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।
বুধবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মেহেদীর মরদেহবাহী গাড়ি রামগঞ্জ থানার প্রধান ফটকের সামনে নিয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করেন স্বজনরা। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা কর্মসূচিতে নিহতের মা–বাবা, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। তারা দাবি করেন, মেহেদীকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তি চান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে মেহেদীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে, পরে প্রতিষ্ঠানটি সাত দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মুঠোফোন চুরির অভিযোগে মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে মেহেদী আত্মহত্যা করতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ ও পরিবারের দাবিকে ঘিরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। পরে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
ওসি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন