বগুড়া শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে সাবেক ইউপি সদস্য বিপুল চন্দ্র পালের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটিকে ঘিরে নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্তে এসেছে নতুন মোড়। পুলিশ জানিয়েছে, শহরের চারমাথা এলাকার সেঞ্চুরি হোটেলের ৬১০ নম্বর কক্ষ থেকে শনিবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিপুল চন্দ্র পাল এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে হোটেলে ওঠেন এবং একটি কক্ষ ভাড়া নেন। পরদিন নির্ধারিত চেকআউট সময় পার হলেও কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বিকল্প চাবি দিয়ে দরজা খুলে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ঘুমের ওষুধ, কোমল পানীয় ও পানির বোতল জব্দ করেছে পুলিশ। এসব আলামত মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
এদিকে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিপুল চন্দ্র পালের সঙ্গে আসা নারী পরবর্তীতে একাই হোটেল ত্যাগ করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী লিপি রানী পাল দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে এবং এর পেছনে স্থানীয় এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা হোটেল কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া ওষুধের বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
বগুড়া শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে সাবেক ইউপি সদস্য বিপুল চন্দ্র পালের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটিকে ঘিরে নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্তে এসেছে নতুন মোড়। পুলিশ জানিয়েছে, শহরের চারমাথা এলাকার সেঞ্চুরি হোটেলের ৬১০ নম্বর কক্ষ থেকে শনিবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিপুল চন্দ্র পাল এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে হোটেলে ওঠেন এবং একটি কক্ষ ভাড়া নেন। পরদিন নির্ধারিত চেকআউট সময় পার হলেও কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বিকল্প চাবি দিয়ে দরজা খুলে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ঘুমের ওষুধ, কোমল পানীয় ও পানির বোতল জব্দ করেছে পুলিশ। এসব আলামত মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
এদিকে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিপুল চন্দ্র পালের সঙ্গে আসা নারী পরবর্তীতে একাই হোটেল ত্যাগ করেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী লিপি রানী পাল দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে এবং এর পেছনে স্থানীয় এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা হোটেল কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া ওষুধের বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি ও ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন