হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বড় বহুলা গ্রামে রুবিনা আক্তার (২৫) নামে এক নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্বামী উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এসিডে দগ্ধ রুবিনার মুখমণ্ডল গুরুতরভাবে ঝলসে গেছে। প্রথমে তাকে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার সঙ্গে রুবিনার বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় ছয় মাস আগে রুবিনা তাকে তালাক দেন। এরপর থেকেই উজ্জ্বল ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় রুবিনাকে উত্ত্যক্ত ও হুমকি দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রুবিনা অলিপুর এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় ওঁত পেতে থাকা উজ্জ্বল তার মুখে এসিড নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ।এ সময় রুবিনার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত উজ্জ্বল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত রুবিনাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটে পাঠানো হয়।হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগীর খোঁজখবর নিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার জানান, এসিডে আক্রান্ত অবস্থায় এক নারীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বড় বহুলা গ্রামে রুবিনা আক্তার (২৫) নামে এক নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্বামী উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এসিডে দগ্ধ রুবিনার মুখমণ্ডল গুরুতরভাবে ঝলসে গেছে। প্রথমে তাকে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার সঙ্গে রুবিনার বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় ছয় মাস আগে রুবিনা তাকে তালাক দেন। এরপর থেকেই উজ্জ্বল ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় রুবিনাকে উত্ত্যক্ত ও হুমকি দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রুবিনা অলিপুর এলাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় ওঁত পেতে থাকা উজ্জ্বল তার মুখে এসিড নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ।এ সময় রুবিনার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত উজ্জ্বল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত রুবিনাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটে পাঠানো হয়।হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগীর খোঁজখবর নিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার জানান, এসিডে আক্রান্ত অবস্থায় এক নারীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন