পাবনার সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নে স্কুলছাত্রী রিয়া (১৫) হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহত রিয়া পূর্ব রাঘপুর এলাকার প্রামাণিকের মেয়ে এবং মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
বুধবার সকালে পদ্মা নদীর চরে কৃষকরা কাজ করতে যাওয়ার সময় নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখতে পান।
সন্দেহ হলে স্থানীয়রা বস্তাটি খুলে দেখেন, ভেতরে এক কিশোরীর মরদেহ রয়েছে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত নাইম।
তিনি পূর্ব রাঘপুর এলাকার মৃত কাশেম উদ্দিনের ছেলে।
এছাড়া একই এলাকার ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামাণিককেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
তদন্তে হত্যার পেছনের কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
এখনও ভুক্তভোগীর পরিবার আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেনি।
তবে লিখিত এজাহার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দোষীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করা হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
পাবনার সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নে স্কুলছাত্রী রিয়া (১৫) হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহত রিয়া পূর্ব রাঘপুর এলাকার প্রামাণিকের মেয়ে এবং মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
বুধবার সকালে পদ্মা নদীর চরে কৃষকরা কাজ করতে যাওয়ার সময় নদীর তীরে একটি বস্তা ভাসতে দেখতে পান।
সন্দেহ হলে স্থানীয়রা বস্তাটি খুলে দেখেন, ভেতরে এক কিশোরীর মরদেহ রয়েছে।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত নাইম।
তিনি পূর্ব রাঘপুর এলাকার মৃত কাশেম উদ্দিনের ছেলে।
এছাড়া একই এলাকার ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামাণিককেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
তদন্তে হত্যার পেছনের কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
এখনও ভুক্তভোগীর পরিবার আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেনি।
তবে লিখিত এজাহার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দোষীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করা হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন