English / বাংলা
Editorial News 24

সোহেল রানা দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে অন্য একজন জড়িত রয়েছে

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু



রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং মামলার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, রামিসার বাবার পাশাপাশি মামলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীরও সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।

এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং অপর আসামি তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এজলাসে হাজির করা হয়।

আদালতে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সোহেল রানা আবারও আলোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে অন্য একজন জড়িত রয়েছে।সোমবার একই ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পাশাপাশি মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানায়, পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ঘটনার পর সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ২৪ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং মামলার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, রামিসার বাবার পাশাপাশি মামলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীরও সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।

এর আগে সকাল পৌনে ৯টার দিকে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং অপর আসামি তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এজলাসে হাজির করা হয়।

আদালতে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সোহেল রানা আবারও আলোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে অন্য একজন জড়িত রয়েছে।সোমবার একই ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পাশাপাশি মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানায়, পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ঘটনার পর সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ২৪ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0