যশোরে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্র কারবারি মো. কামরুল ইসলাম ওরফে ‘খোঁড়া কামরুল’কে (৪৭) গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক, চাঁদাবাজিসহ মোট ২০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতার কামরুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা এলাকার মৃত আবদুল আজিজ ও মরিয়ম বেগমের ছেলে।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে যশোর ডিবি পুলিশের এসআই মো. সালাউদ্দিন খান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার বিকেলে যশোর পৌরসভার মিশনপাড়া এলাকার ‘বিটিএস শখের কুটির’ নামের একটি ভবনের নিচতলার ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ এপ্রিল যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের হওয়া একটি অস্ত্র মামলার তদন্তে কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। ওই মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি খালিদুর রহমান টিটু ও শেখ মইনুদ্দিন ফেরদৌস আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তার নাম উল্লেখ করেন।
জবানবন্দিতে তারা জানান, উদ্ধার হওয়া একটি ৭.৬৫ মিমি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড তাজা গুলির কেনাবেচার সঙ্গে কামরুল সরাসরি জড়িত ছিলেন।
ডিবি পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কামরুল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তিনি এলাকায় অস্ত্র ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ আরও জানায়, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছয়টি অস্ত্র মামলা, চারটি বিস্ফোরক মামলা, সাতটি চাঁদাবাজি ও অন্যান্য মামলা, একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা এবং একটি মাদক মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
যশোরে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্র কারবারি মো. কামরুল ইসলাম ওরফে ‘খোঁড়া কামরুল’কে (৪৭) গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক, চাঁদাবাজিসহ মোট ২০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতার কামরুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা এলাকার মৃত আবদুল আজিজ ও মরিয়ম বেগমের ছেলে।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে যশোর ডিবি পুলিশের এসআই মো. সালাউদ্দিন খান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার বিকেলে যশোর পৌরসভার মিশনপাড়া এলাকার ‘বিটিএস শখের কুটির’ নামের একটি ভবনের নিচতলার ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ এপ্রিল যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের হওয়া একটি অস্ত্র মামলার তদন্তে কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। ওই মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি খালিদুর রহমান টিটু ও শেখ মইনুদ্দিন ফেরদৌস আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তার নাম উল্লেখ করেন।
জবানবন্দিতে তারা জানান, উদ্ধার হওয়া একটি ৭.৬৫ মিমি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড তাজা গুলির কেনাবেচার সঙ্গে কামরুল সরাসরি জড়িত ছিলেন।
ডিবি পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কামরুল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তিনি এলাকায় অস্ত্র ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ আরও জানায়, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছয়টি অস্ত্র মামলা, চারটি বিস্ফোরক মামলা, সাতটি চাঁদাবাজি ও অন্যান্য মামলা, একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা এবং একটি মাদক মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন