ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেট হাজার কোটি টাকা ছাড়ালেও গবেষণার মানের সূচকে দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রকাশিত Times Higher Education (THE) World University Rankings Data 2026-এর তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, গবেষণার পরিবেশ (Research Environment) সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ১৩.৩। একই সূচকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কোর ১৩.০ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কোর ১১.৩। অর্থাৎ গবেষণার পরিবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামান্য এগিয়ে থাকলেও গবেষণার মান (Research Quality) সূচকে পিছিয়ে রয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণার মান সূচকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কোর ৮১.৭ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কোর ৮০.৩। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ৭৬.৫।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় শুধু বড় বাজেট বা দীর্ঘ ঐতিহ্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনা, উদ্ধৃতি (সাইটেশন), গবেষণার প্রভাব এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সংযোগ এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষকদের গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে ড্যাফোডিল ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার গুণগত মানে ধারাবাহিক উন্নতি প্রদর্শন করেছে।
অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি, দেশের শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চেয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নানা বিষয় বেশি আলোচিত হয়। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা আউটপুট ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থানের ওপর পড়ছে বলেও তারা মনে করেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক বাজেট হাজার কোটি টাকা ছাড়ালেও গবেষণার মানের সূচকে দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রকাশিত Times Higher Education (THE) World University Rankings Data 2026-এর তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, গবেষণার পরিবেশ (Research Environment) সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ১৩.৩। একই সূচকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কোর ১৩.০ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কোর ১১.৩। অর্থাৎ গবেষণার পরিবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামান্য এগিয়ে থাকলেও গবেষণার মান (Research Quality) সূচকে পিছিয়ে রয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণার মান সূচকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কোর ৮১.৭ এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কোর ৮০.৩। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ৭৬.৫।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় শুধু বড় বাজেট বা দীর্ঘ ঐতিহ্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনা, উদ্ধৃতি (সাইটেশন), গবেষণার প্রভাব এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সংযোগ এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষকদের গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে ড্যাফোডিল ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার গুণগত মানে ধারাবাহিক উন্নতি প্রদর্শন করেছে।
অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি, দেশের শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চেয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নানা বিষয় বেশি আলোচিত হয়। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা আউটপুট ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানের অবস্থানের ওপর পড়ছে বলেও তারা মনে করেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন