English / বাংলা
Editorial News 24

প্রতিবন্ধী খাতে ইতিবাচক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন মানসম্মত সেবা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত দক্ষতা



প্রতিবন্ধী খাতে ইতিবাচক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন মানসম্মত সেবা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত দক্ষতা
ছবি: এআই জেনারেটেড

বাংলাদেশে প্রতিবন্ধি ও অটিজম বিষয়ে সচেতনতা গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে বিষয়গুলো পরিবারগুলো লজ্জা, ভয় কিংবা সামাজিক সংকোচের কারণে আড়ালে রাখত, এখন সেগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইন, নীতি, ভাতা, শিক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের কথাও আগের তুলনায় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমান সরকারও প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা অবশ্যই প্রশংসনীয়।তবে এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাও সামনে এসেছে। প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম খাত এখন অনেক ক্ষেত্রে 'সেবামূলক' ক্ষেত্রের পাশাপাশি 'ব্যবসায়িক সুযোগ' হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ফলে রাতারাতি অসংখ্য ব্যক্তি নিজেকে 'অটিজম বিশেষজ্ঞ', 'থেরাপিস্ট' কিংবা 'বিশেষ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ' হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে তথাকথিত 'স্পেশাল স্কুল', 'থেরাপি সেন্টার' ও 'অটিজম কেয়ার সেন্টার'। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশে নেই পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত জনবল, নেই মানসম্মত সেবা, নেই কার্যকর মনিটরিং। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে অসহায় অভিভাবকদের আবেগ ও অজ্ঞতাকে পুঁজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।একজন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু কিংবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জীবন শুধু একটি চিকিৎসা বা থেরাপির বিষয় নয়; এটি শিক্ষা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, মানবাধিকার, পারিবারিক সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


প্রতিবন্ধী খাতে ইতিবাচক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন মানসম্মত সেবা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত দক্ষতা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে প্রতিবন্ধি ও অটিজম বিষয়ে সচেতনতা গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে বিষয়গুলো পরিবারগুলো লজ্জা, ভয় কিংবা সামাজিক সংকোচের কারণে আড়ালে রাখত, এখন সেগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইন, নীতি, ভাতা, শিক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের কথাও আগের তুলনায় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমান সরকারও প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা অবশ্যই প্রশংসনীয়।তবে এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাও সামনে এসেছে। প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম খাত এখন অনেক ক্ষেত্রে 'সেবামূলক' ক্ষেত্রের পাশাপাশি 'ব্যবসায়িক সুযোগ' হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ফলে রাতারাতি অসংখ্য ব্যক্তি নিজেকে 'অটিজম বিশেষজ্ঞ', 'থেরাপিস্ট' কিংবা 'বিশেষ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ' হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে তথাকথিত 'স্পেশাল স্কুল', 'থেরাপি সেন্টার' ও 'অটিজম কেয়ার সেন্টার'। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশে নেই পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত জনবল, নেই মানসম্মত সেবা, নেই কার্যকর মনিটরিং। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে অসহায় অভিভাবকদের আবেগ ও অজ্ঞতাকে পুঁজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।একজন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু কিংবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জীবন শুধু একটি চিকিৎসা বা থেরাপির বিষয় নয়; এটি শিক্ষা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, মানবাধিকার, পারিবারিক সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0