English / বাংলা
Editorial News 24

বিশ্বজুড়ে তীব্র এল নিনোর আশঙ্কা, বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়তে পারে



বিশ্বজুড়ে তীব্র এল নিনোর আশঙ্কা, বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়তে পারে

বিশ্বজুড়ে আবারও শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা World Meteorological Organization জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুন থেকে আগস্টের মধ্যে এল নিনো গঠনের সম্ভাবনা প্রায় ৮০ শতাংশ এবং বছরের শেষ পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের কাছাকাছি।

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা, যা বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার ধরন বদলে দেয়। এর প্রভাবে কোথাও খরা, কোথাও অতিবৃষ্টি, আবার কোথাও ভয়াবহ তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। 

আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এল নিনোর কারণে বর্ষাকালে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকিতে থাকে। ফলে বাংলাদেশেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যেতে পারে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনোর কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

কৃষি খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ধান, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হলে খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সেচের জন্য পানির চাহিদা বাড়বে। 

তবে এল নিনোর প্রভাব সব সময় একই রকম হয় না। ভারত মহাসাগরের তাপমাত্রা, মৌসুমি বায়ুর শক্তি এবং অন্যান্য জলবায়ুগত উপাদানের ওপরও চূড়ান্ত পরিস্থিতি নির্ভর করে। 

জাতিসংঘ ও ডব্লিউএমও ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে সম্ভাব্য ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব। 

বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে তীব্র গরম, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং কৃষি উৎপাদনে সম্ভাব্য প্রভাব। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বিশ্বজুড়ে তীব্র এল নিনোর আশঙ্কা, বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়তে পারে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬

featured Image

বিশ্বজুড়ে আবারও শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা World Meteorological Organization জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুন থেকে আগস্টের মধ্যে এল নিনো গঠনের সম্ভাবনা প্রায় ৮০ শতাংশ এবং বছরের শেষ পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের কাছাকাছি।

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা, যা বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার ধরন বদলে দেয়। এর প্রভাবে কোথাও খরা, কোথাও অতিবৃষ্টি, আবার কোথাও ভয়াবহ তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। 

আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এল নিনোর কারণে বর্ষাকালে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকিতে থাকে। ফলে বাংলাদেশেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যেতে পারে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনোর কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

কৃষি খাত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ধান, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হলে খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সেচের জন্য পানির চাহিদা বাড়বে। 

তবে এল নিনোর প্রভাব সব সময় একই রকম হয় না। ভারত মহাসাগরের তাপমাত্রা, মৌসুমি বায়ুর শক্তি এবং অন্যান্য জলবায়ুগত উপাদানের ওপরও চূড়ান্ত পরিস্থিতি নির্ভর করে। 

জাতিসংঘ ও ডব্লিউএমও ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার করা গেলে সম্ভাব্য ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব। 

বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে তীব্র গরম, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং কৃষি উৎপাদনে সম্ভাব্য প্রভাব। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0