English / বাংলা
Editorial News 24

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুদক আইন অনুযায়ী কাজ করছে। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আইন-বিধি মেনেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। কোনো ভুক্তভোগী বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক


প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আইন-বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সচিব সাইদুর রহমান খান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুদক আইন অনুযায়ী কাজ করছে। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আইন-বিধি মেনেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। কোনো ভুক্তভোগী বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন।দুদক সচিব আরও জানান, অনুসন্ধান শুরুর দিন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার দেওয়া বক্তব্যের কিছু অংশ ‘স্লিপ অব টাং’ ছিল।

এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর একটি প্রক্রিয়া। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং দুর্নীতি খুঁজে বের করা নয়, বরং তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর মুখোমুখি করাই এর উদ্দেশ্য।আসিফ মাহমুদ বলেন, অভিযোগগুলো জনসম্মুখে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, সেগুলোর সবই মিথ্যা। তার ভাষ্য, এই অনুসন্ধান প্রকৃত অর্থে কোনো অনুসন্ধান নয়; রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এটি করা হচ্ছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটাসহ বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।অভিযোগের আওতায় থাকা অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পরদিন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে চার ধরনের নথি চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হওয়া নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নথিপত্র এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকের ভিত্তিতে বদলি সংক্রান্ত নথিও রয়েছে।

দুদক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে ঘুষ গ্রহণ, মানিলন্ডারিং, বিদেশে অর্থপাচার, বেআইনি বিটকয়েন লেনদেন, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিষয়ও রয়েছে।

এদিকে অনুসন্ধানের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। ওই বক্তব্যের মাধ্যমে তার মানহানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আইন-বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সচিব সাইদুর রহমান খান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুদক আইন অনুযায়ী কাজ করছে। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আইন-বিধি মেনেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। কোনো ভুক্তভোগী বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন।দুদক সচিব আরও জানান, অনুসন্ধান শুরুর দিন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার দেওয়া বক্তব্যের কিছু অংশ ‘স্লিপ অব টাং’ ছিল।

এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর একটি প্রক্রিয়া। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং দুর্নীতি খুঁজে বের করা নয়, বরং তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর মুখোমুখি করাই এর উদ্দেশ্য।আসিফ মাহমুদ বলেন, অভিযোগগুলো জনসম্মুখে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, সেগুলোর সবই মিথ্যা। তার ভাষ্য, এই অনুসন্ধান প্রকৃত অর্থে কোনো অনুসন্ধান নয়; রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এটি করা হচ্ছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটাসহ বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।অভিযোগের আওতায় থাকা অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পরদিন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে চার ধরনের নথি চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হওয়া নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত নথিপত্র এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকের ভিত্তিতে বদলি সংক্রান্ত নথিও রয়েছে।

দুদক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে ঘুষ গ্রহণ, মানিলন্ডারিং, বিদেশে অর্থপাচার, বেআইনি বিটকয়েন লেনদেন, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিষয়ও রয়েছে।

এদিকে অনুসন্ধানের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। ওই বক্তব্যের মাধ্যমে তার মানহানি করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0