দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে রোগীর চাপ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৫২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৩৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে পরিস্থিতিও কম উদ্বেগজনক নয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ২২৭ জন, খুলনা বিভাগে ২৪৭ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি বরিশাল, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। তাই শুধু পূর্ণবয়স্ক মশা নিধন নয়, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এডিসের লার্ভা ধ্বংসে। এ কাজে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই এডিস মশার ঘনত্ব এখন ডেঙ্গু ছড়ানোর জন্য উপযোগী মাত্রায় রয়েছে। মশার ঘনত্বের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, থেমে থেমে বৃষ্টি, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা পূর্বাভাস মডেলেও সেপ্টেম্বরের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।তার মতে, সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে এবং এর প্রভাব অক্টোবরেও অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তার পর ডেঙ্গুর হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করেছে সিটি করপোরেশন। বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। পাশাপাশি এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন বাসাবাড়ি, ছাদ, সরকারি অফিস ও আদালতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। নিয়ম না মানায় এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এখনই কার্যকর ও সমন্বিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা না হলে অক্টোবরেও পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে রোগীর চাপ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৫২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৩৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে পরিস্থিতিও কম উদ্বেগজনক নয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ২২৭ জন, খুলনা বিভাগে ২৪৭ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি বরিশাল, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই এডিস মশার প্রজননের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। তাই শুধু পূর্ণবয়স্ক মশা নিধন নয়, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এডিসের লার্ভা ধ্বংসে। এ কাজে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ঢাকা শহরের প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই এডিস মশার ঘনত্ব এখন ডেঙ্গু ছড়ানোর জন্য উপযোগী মাত্রায় রয়েছে। মশার ঘনত্বের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, থেমে থেমে বৃষ্টি, আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা পূর্বাভাস মডেলেও সেপ্টেম্বরের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।তার মতে, সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে এবং এর প্রভাব অক্টোবরেও অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তার পর ডেঙ্গুর হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করেছে সিটি করপোরেশন। বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। পাশাপাশি এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন বাসাবাড়ি, ছাদ, সরকারি অফিস ও আদালতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। নিয়ম না মানায় এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এখনই কার্যকর ও সমন্বিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা না হলে অক্টোবরেও পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন