আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বৃহস্পতিবার তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদপন্থিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই প্রস্তাবিত তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনের কারণে এক বছর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার ইজতেমা আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করা হচ্ছে। এর আগে জুবায়েরপন্থি হিসেবে পরিচিতদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে এবং তাদের জানানো হয়েছে যে সরকার উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে।তিনি বলেন, ইজতেমার আয়োজন নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আরও আলোচনা করা হবে। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা। কোনো ধরনের সংঘর্ষ যাতে না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। অতীতে ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জুবায়েরপন্থিরা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব—দুই পর্বেই ইজতেমা আয়োজন করতে চান। অন্যদিকে সাদপন্থিদের দাবি, রমজানের আগে ওই দুই পর্বের পরবর্তী সময়ে একটি পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা হোক। বিকল্প হিসেবে নভেম্বরের শেষ দিকে প্রস্তাবিত দুই পর্বের আগেও ইজতেমা আয়োজনের কথা জানিয়েছে সাদপন্থিরা।
মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী দেখবে। ভিসানীতির আওতায় প্রয়োজনীয় যাচাই ও ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। এখনই এ নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়।তিনি আরও বলেন, ভিসানীতি অনুযায়ী যেভাবে প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার কথা, সেভাবেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বৃহস্পতিবার তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদপন্থিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই প্রস্তাবিত তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনের কারণে এক বছর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার ইজতেমা আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করা হচ্ছে। এর আগে জুবায়েরপন্থি হিসেবে পরিচিতদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে এবং তাদের জানানো হয়েছে যে সরকার উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে।তিনি বলেন, ইজতেমার আয়োজন নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আরও আলোচনা করা হবে। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা। কোনো ধরনের সংঘর্ষ যাতে না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। অতীতে ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জুবায়েরপন্থিরা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব—দুই পর্বেই ইজতেমা আয়োজন করতে চান। অন্যদিকে সাদপন্থিদের দাবি, রমজানের আগে ওই দুই পর্বের পরবর্তী সময়ে একটি পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা হোক। বিকল্প হিসেবে নভেম্বরের শেষ দিকে প্রস্তাবিত দুই পর্বের আগেও ইজতেমা আয়োজনের কথা জানিয়েছে সাদপন্থিরা।
মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী দেখবে। ভিসানীতির আওতায় প্রয়োজনীয় যাচাই ও ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। এখনই এ নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়।তিনি আরও বলেন, ভিসানীতি অনুযায়ী যেভাবে প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার কথা, সেভাবেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন