English / বাংলা
Editorial News 24

দুদকের বিশেষ তদন্ত নথি অনুযায়ী, শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৬০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেখ সেলিম ও পরিবারের ৩৬ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব মিলছে না: দুদক


প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

শেখ সেলিম ও পরিবারের ৩৬ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব মিলছে না: দুদক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ প্রায় ৩৬ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ ঘটনায় শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে সম্পদের বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দুদকের বিশেষ তদন্ত নথি অনুযায়ী, শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৬০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানে তার স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার অতিরিক্ত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার নামে বা বেনামে আরও কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

শেখ সেলিমের ছেলে শেখ ফজলে ফাহিমের নামে জ্ঞাত আয়ের তুলনায় ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬ টাকা বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। আরেক ছেলে শেখ ফজলে নাঈমের নামে ১১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৪৪ টাকার সম্পদের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে তদন্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া শেখ সেলিমের মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।

দুদকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফাতেমা সেলিম, শেখ ফজলে ফাহিম, শেখ ফজলে নাঈম ও শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়াকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হবে। তাদের নামে বা বেনামে আরও কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।দুদকের প্রধান কার্যালয়ের একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল বিষয়টি তদন্ত করেছে। উপপরিচালক মো. খায়রুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের দলে সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার এবং উপসহকারী পরিচালক এলমান আহাম্মাদ অনি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


শেখ সেলিম ও পরিবারের ৩৬ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব মিলছে না: দুদক

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ প্রায় ৩৬ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ ঘটনায় শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে সম্পদের বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দুদকের বিশেষ তদন্ত নথি অনুযায়ী, শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৬০ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানে তার স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার অতিরিক্ত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার নামে বা বেনামে আরও কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

শেখ সেলিমের ছেলে শেখ ফজলে ফাহিমের নামে জ্ঞাত আয়ের তুলনায় ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬ টাকা বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। আরেক ছেলে শেখ ফজলে নাঈমের নামে ১১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৪৪ টাকার সম্পদের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে তদন্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া শেখ সেলিমের মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার নামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।

দুদকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফাতেমা সেলিম, শেখ ফজলে ফাহিম, শেখ ফজলে নাঈম ও শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়াকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হবে। তাদের নামে বা বেনামে আরও কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।দুদকের প্রধান কার্যালয়ের একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল বিষয়টি তদন্ত করেছে। উপপরিচালক মো. খায়রুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের দলে সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার এবং উপসহকারী পরিচালক এলমান আহাম্মাদ অনি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0