ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি ঈদে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে লাখো মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন। আগামীতে এই মাঠে ২০০তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ বিশেষ উপলক্ষ সামনে রেখে মাঠটির সার্বিক সুবিধা বাড়াতে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে ৬ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। শিগগিরই মাঠে দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ শুরু ও সম্পন্ন হবে।
প্রকল্পের আওতায় শোলাকিয়া ঈদগাহের সীমানাপ্রাচীর ও দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার নির্মাণ, উন্নত ওজুখানার ব্যবস্থা, সংলগ্ন পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন এবং মাঠকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব উন্নয়নকাজের ফলে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ সকাল ও সন্ধ্যায় হাঁটাচলা করতে পারবেন।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও স্মরণ করেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালনের সময় সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে এক লাখ নিমগাছের চারা পাঠিয়েছিলেন। বর্তমানে সেগুলো বড় বৃক্ষে পরিণত হয়েছে এবং স্থানীয়রা সম্মানের সঙ্গে এগুলোকে ‘জিয়া গাছ’ নামে অভিহিত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে পরিবেশবান্ধব ও ছায়ানিবিড় করতে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ লাগানো হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে একটি চারা রোপণ করেন এবং সবাইকে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তার উপস্থিতিকে ঘিরে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাকে একনজর দেখতে ও বক্তব্য শুনতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে জড়ো হন।
সূত্র: বাসস
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি ঈদে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে লাখো মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন। আগামীতে এই মাঠে ২০০তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ বিশেষ উপলক্ষ সামনে রেখে মাঠটির সার্বিক সুবিধা বাড়াতে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে সরকারি তহবিল থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে ৬ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। শিগগিরই মাঠে দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ শুরু ও সম্পন্ন হবে।
প্রকল্পের আওতায় শোলাকিয়া ঈদগাহের সীমানাপ্রাচীর ও দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার নির্মাণ, উন্নত ওজুখানার ব্যবস্থা, সংলগ্ন পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন এবং মাঠকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব উন্নয়নকাজের ফলে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ সকাল ও সন্ধ্যায় হাঁটাচলা করতে পারবেন।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও স্মরণ করেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালনের সময় সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে এক লাখ নিমগাছের চারা পাঠিয়েছিলেন। বর্তমানে সেগুলো বড় বৃক্ষে পরিণত হয়েছে এবং স্থানীয়রা সম্মানের সঙ্গে এগুলোকে ‘জিয়া গাছ’ নামে অভিহিত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানকে পরিবেশবান্ধব ও ছায়ানিবিড় করতে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ লাগানো হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে একটি চারা রোপণ করেন এবং সবাইকে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। তার উপস্থিতিকে ঘিরে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাকে একনজর দেখতে ও বক্তব্য শুনতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে জড়ো হন।
সূত্র: বাসস
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন