English / বাংলা
Editorial News 24

এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বাংলাদেশ।

রোহিঙ্গাদের ‘রাখাইনের বাঙালি’ দাবি, মিয়ানমারের নতুন বিবৃতিতে কী বার্তা?


প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

রোহিঙ্গাদের ‘রাখাইনের বাঙালি’ দাবি, মিয়ানমারের নতুন বিবৃতিতে কী বার্তা?

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের আবারও ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে নতুন একটি বিবৃতি দিয়েছে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়েছে, রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় যাচাই হওয়া ব্যক্তিদেরই ফেরত নেওয়া হবে।

শনিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে মিয়ানমার জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তিন লাখের কিছু বেশি যাচাই করা ব্যক্তিকে ফেরত নিতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যে তালিকা দিয়েছে, তাতে উল্লেখিত সংখ্যা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দেশটি।

মিয়ানমারের দাবি, ‘রোহিঙ্গা’ নামে কোনো জাতিগোষ্ঠী দেশটিতে নেই। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে তাদের ‘রোহিঙ্গা’ নামে পরিচিত করার মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বাংলাদেশ।

বিবৃতিতে মিয়ানমারের দাবি

বিবৃতিতে মিয়ানমার অভিযোগ করেছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে গণমাধ্যমে ‘একপেশে, ভুল তথ্য ও অপতথ্য’ প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ক্যাম্পে থাকা সবাইকে মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছে দেশটি।

২০১৬ ও ২০১৭ সালে রাখাইনে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার পর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ চালায় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মিয়ানমারের দাবি, ওই সময় বিপুলসংখ্যক ‘বাঙালি’ বাংলাদেশে চলে যায়।

দেশটির হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় বুথিডং, মংডু ও রাথিডং এলাকায় সাত লাখ ৪০ হাজারের বেশি ‘বাঙালি’ বসবাস করত। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখ ৪০ হাজার বাংলাদেশে চলে যায় এবং দুই লাখের বেশি সেখানে থেকে যায় বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

এই হিসাবের ভিত্তিতে দেশটি বলছে, রাখাইন থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে—এমন তথ্য সঠিক নয়।

প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের অবস্থান

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল। এসব চুক্তির আওতায় প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি মিয়ানমারে ফেরেননি বলে দাবি করেছে দেশটি।

বাংলাদেশের দেওয়া আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার মধ্যে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত চার লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করেছে মিয়ানমার।

তাদের মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। চার হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।

দেশটির দাবি, যাচাই হওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা ‘আন্তরিক সদিচ্ছা’ নিয়ে কাজ করছে। তবে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হওয়ার পর তাদের ফেরত নেওয়া হবে।

পুরোনো কৌশলের পুনরাবৃত্তি?

বিশ্লেষকদের অনেকে মিয়ানমারের নতুন বিবৃতিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দেশটির পুরোনো কৌশলেরই পুনরাবৃত্তি হিসেবে দেখছেন।

মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম মনে করেন, অতীতের মতো এবারও যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়টি সামনে এনে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তার মতে, আগেও প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে একই পরিবারের সদস্যদের কাউকে গ্রহণযোগ্য এবং কাউকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখানোর মতো জটিলতা তৈরি করা হয়েছিল। ফলে প্রত্যাবাসন আর বাস্তবে এগোয়নি।

শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীরের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চলমান আলোচনা ও সমালোচনার পাল্টা অবস্থান হিসেবে মিয়ানমার এই বিবৃতি দিয়েছে।তিনি মনে করেন, ‘রোহিঙ্গা’ নামে কোনো জাতিগোষ্ঠী নেই—এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টাও বিবৃতিতে স্পষ্ট।

প্রত্যাবাসনের নতুন সুযোগ, নাকি কূটনৈতিক বার্তা?

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের পর প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন সময়ে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১২ লাখের কাছাকাছি।

২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতে সমাধান না হওয়ায় প্রত্যাবাসন বারবার আটকে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিবৃতিতে মিয়ানমার একদিকে নিজেদের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে চাইছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনার একটি নতুন ক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে ।তবে শুধু বিবৃতি নয়, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের বাস্তব পদক্ষেপই শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগের সফলতা নির্ধারণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


রোহিঙ্গাদের ‘রাখাইনের বাঙালি’ দাবি, মিয়ানমারের নতুন বিবৃতিতে কী বার্তা?

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের আবারও ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে নতুন একটি বিবৃতি দিয়েছে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়েছে, রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় যাচাই হওয়া ব্যক্তিদেরই ফেরত নেওয়া হবে।

শনিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে মিয়ানমার জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তিন লাখের কিছু বেশি যাচাই করা ব্যক্তিকে ফেরত নিতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যে তালিকা দিয়েছে, তাতে উল্লেখিত সংখ্যা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দেশটি।

মিয়ানমারের দাবি, ‘রোহিঙ্গা’ নামে কোনো জাতিগোষ্ঠী দেশটিতে নেই। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে তাদের ‘রোহিঙ্গা’ নামে পরিচিত করার মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বাংলাদেশ।

বিবৃতিতে মিয়ানমারের দাবি

বিবৃতিতে মিয়ানমার অভিযোগ করেছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে গণমাধ্যমে ‘একপেশে, ভুল তথ্য ও অপতথ্য’ প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ক্যাম্পে থাকা সবাইকে মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছে দেশটি।

২০১৬ ও ২০১৭ সালে রাখাইনে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার পর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ চালায় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মিয়ানমারের দাবি, ওই সময় বিপুলসংখ্যক ‘বাঙালি’ বাংলাদেশে চলে যায়।

দেশটির হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় বুথিডং, মংডু ও রাথিডং এলাকায় সাত লাখ ৪০ হাজারের বেশি ‘বাঙালি’ বসবাস করত। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখ ৪০ হাজার বাংলাদেশে চলে যায় এবং দুই লাখের বেশি সেখানে থেকে যায় বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

এই হিসাবের ভিত্তিতে দেশটি বলছে, রাখাইন থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে—এমন তথ্য সঠিক নয়।

প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের অবস্থান

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল। এসব চুক্তির আওতায় প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি মিয়ানমারে ফেরেননি বলে দাবি করেছে দেশটি।

বাংলাদেশের দেওয়া আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার মধ্যে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত চার লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করেছে মিয়ানমার।

তাদের মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। চার হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।

দেশটির দাবি, যাচাই হওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা ‘আন্তরিক সদিচ্ছা’ নিয়ে কাজ করছে। তবে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হওয়ার পর তাদের ফেরত নেওয়া হবে।

পুরোনো কৌশলের পুনরাবৃত্তি?

বিশ্লেষকদের অনেকে মিয়ানমারের নতুন বিবৃতিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দেশটির পুরোনো কৌশলেরই পুনরাবৃত্তি হিসেবে দেখছেন।

মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম মনে করেন, অতীতের মতো এবারও যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়টি সামনে এনে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তার মতে, আগেও প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে একই পরিবারের সদস্যদের কাউকে গ্রহণযোগ্য এবং কাউকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখানোর মতো জটিলতা তৈরি করা হয়েছিল। ফলে প্রত্যাবাসন আর বাস্তবে এগোয়নি।

শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীরের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চলমান আলোচনা ও সমালোচনার পাল্টা অবস্থান হিসেবে মিয়ানমার এই বিবৃতি দিয়েছে।তিনি মনে করেন, ‘রোহিঙ্গা’ নামে কোনো জাতিগোষ্ঠী নেই—এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টাও বিবৃতিতে স্পষ্ট।

প্রত্যাবাসনের নতুন সুযোগ, নাকি কূটনৈতিক বার্তা?

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক অভিযানের পর প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বিভিন্ন সময়ে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমানে দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১২ লাখের কাছাকাছি।

২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতে সমাধান না হওয়ায় প্রত্যাবাসন বারবার আটকে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিবৃতিতে মিয়ানমার একদিকে নিজেদের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে চাইছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনার একটি নতুন ক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে ।তবে শুধু বিবৃতি নয়, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের বাস্তব পদক্ষেপই শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগের সফলতা নির্ধারণ করবে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0