English / বাংলা
Editorial News 24

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, নতুন সরকার গঠনের দিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি চিঠি হস্তান্তর করেছিলেন। সেখানে একটি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ ছাড়া আরও একটি আমন্ত্রণ রয়েছে, যা উপযুক্ত সময়ে বিবেচনা করা হবে। তবে ভারত সফরের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে সরকার এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ওই বৈঠকের পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সম্ভাব্য সফর এবং গঙ্গা চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি গণক নন, তাই নির্দিষ্ট কোনো সময় বলা সম্ভব নয়। ভারত সফরের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকের পক্ষ থেকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তা ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়নি, বরং বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি অনুধাবন করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, নতুন সরকার গঠনের দিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি চিঠি হস্তান্তর করেছিলেন। সেখানে একটি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ ছাড়া আরও একটি আমন্ত্রণ রয়েছে, যা উপযুক্ত সময়ে বিবেচনা করা হবে। তবে ভারত সফরের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি।

হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী, একজন হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারপ্রধানের বৈঠকে চুক্তি বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় না। পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি বজায় রেখেই বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখবে বলে জানান তিনি।

বিষয় : ভারত পররাষ্ট্রমন্ত্রী কূটনীতি

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে সরকার এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ওই বৈঠকের পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সম্ভাব্য সফর এবং গঙ্গা চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি গণক নন, তাই নির্দিষ্ট কোনো সময় বলা সম্ভব নয়। ভারত সফরের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকের পক্ষ থেকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তা ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়নি, বরং বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি অনুধাবন করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, নতুন সরকার গঠনের দিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি চিঠি হস্তান্তর করেছিলেন। সেখানে একটি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ ছাড়া আরও একটি আমন্ত্রণ রয়েছে, যা উপযুক্ত সময়ে বিবেচনা করা হবে। তবে ভারত সফরের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি।

হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী, একজন হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারপ্রধানের বৈঠকে চুক্তি বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় না। পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি বজায় রেখেই বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখবে বলে জানান তিনি।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0