English / বাংলা
Editorial News 24

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় ছাত্রশিবিরের আগে থেকে নির্ধারিত ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত শাখা সভাপতিসহ একাধিক


প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত শাখা সভাপতিসহ একাধিক

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম সংঘাত ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতিসহ একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় ছাত্রশিবিরের আগে থেকে নির্ধারিত ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অদম্য জুলাই কর্মসূচি পালনের জন্য মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি ভিসি গেটের সামনে পৌঁছালে সেখান থেকে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তোলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিলে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এতে বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হন। সংঘর্ষের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করতে থাকে।

ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু অভিযোগ করে বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা জুলাইয়ের মতো ঐতিহাসিক কর্মসূচিতে পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। শান্তিকামী ছাত্র-জনতার ওপর সরাসরি উপাচার্য ও প্রক্টরের উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

অন্যদিকে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত বলেন, শিবিরের ওই কর্মসূচিতে ব্যাপক হারে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল। তারা ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিনষ্ট করতে উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মীরা এই অরাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজে বাধা দিলে শিবিরের নেতাকর্মীরাই উল্টো আমাদের ওপর হামলা চালায়। জুলাই আন্দোলনের পর নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ ও হামলা আমরা কোনোভাবেই প্রত্যাশা করি না।

উদ্বেগজনক এই সংঘর্ষ ও ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে সাথে সাথেই সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। প্রশাসনিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন ভূমিকায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

বিষয় : ছাত্রদল ছাত্রশিবির বরিশাল ছাত্রদল ছাত্রশিবির

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত শাখা সভাপতিসহ একাধিক

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম সংঘাত ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতিসহ একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় ছাত্রশিবিরের আগে থেকে নির্ধারিত ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অদম্য জুলাই কর্মসূচি পালনের জন্য মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি ভিসি গেটের সামনে পৌঁছালে সেখান থেকে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তোলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিলে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এতে বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হন। সংঘর্ষের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করতে থাকে।

ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু অভিযোগ করে বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা জুলাইয়ের মতো ঐতিহাসিক কর্মসূচিতে পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। শান্তিকামী ছাত্র-জনতার ওপর সরাসরি উপাচার্য ও প্রক্টরের উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

অন্যদিকে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত বলেন, শিবিরের ওই কর্মসূচিতে ব্যাপক হারে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল। তারা ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিনষ্ট করতে উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মীরা এই অরাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজে বাধা দিলে শিবিরের নেতাকর্মীরাই উল্টো আমাদের ওপর হামলা চালায়। জুলাই আন্দোলনের পর নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ ও হামলা আমরা কোনোভাবেই প্রত্যাশা করি না।

উদ্বেগজনক এই সংঘর্ষ ও ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে সাথে সাথেই সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। প্রশাসনিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন ভূমিকায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0