English / বাংলা
Editorial News 24

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: সমালোচনার মুখে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রত্যাহার


প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: সমালোচনার মুখে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রত্যাহার

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন একটি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে ভুয়া তথ্য বা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে সেই অংশের পরিবর্তে কেবল সবাইকে 'দায়িত্বশীল আচরণ' করার আহ্বান জানানো হয়।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সন্ধ্যায়, যখন বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এর অধীনস্থ বিতরণ সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত সব অভিযোগ সমাধান ও নিষ্পত্তি করেছে। ফলে এই বিষয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুনির্দিষ্ট সুযোগ বা ভিত্তি নেই।

প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে তা উপযুক্ত প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। তবে কোনো ধরনের প্রমাণ ছাড়া বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিল নিয়ে অপপ্রচার বা সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের এই কঠোর হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য প্রকাশের পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বা অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ প্রকাশ করাকেও কি অপপ্রচার হিসেবে গণ্য করা হবে? ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অধিকার রক্ষার বদলে উল্টো আইনি ব্যবস্থার হুমকি দেওয়াকে অনেকে অনভিপ্রেত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।

ব্যাপক জনসমালোচনার মুখে পড়ে একই দিন রাতে বিদ্যুৎ বিভাগ তাদের আগের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করতে বাধ্য হয়। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে আগের দেওয়া কঠোর হুঁশিয়ারির অংশটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়। বাকি বক্তব্য প্রায় একই রেখে নতুন যুক্ত করা অংশে বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ জমা দিলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

বিষয় : বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ বিজ্ঞপ্তি সমালোচনা

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল: সমালোচনার মুখে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রত্যাহার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন একটি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে ভুয়া তথ্য বা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে সেই অংশের পরিবর্তে কেবল সবাইকে 'দায়িত্বশীল আচরণ' করার আহ্বান জানানো হয়।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সন্ধ্যায়, যখন বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এর অধীনস্থ বিতরণ সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত সব অভিযোগ সমাধান ও নিষ্পত্তি করেছে। ফলে এই বিষয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুনির্দিষ্ট সুযোগ বা ভিত্তি নেই।

প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে তা উপযুক্ত প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। তবে কোনো ধরনের প্রমাণ ছাড়া বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিল নিয়ে অপপ্রচার বা সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের এই কঠোর হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য প্রকাশের পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বা অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ প্রকাশ করাকেও কি অপপ্রচার হিসেবে গণ্য করা হবে? ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অধিকার রক্ষার বদলে উল্টো আইনি ব্যবস্থার হুমকি দেওয়াকে অনেকে অনভিপ্রেত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।

ব্যাপক জনসমালোচনার মুখে পড়ে একই দিন রাতে বিদ্যুৎ বিভাগ তাদের আগের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করতে বাধ্য হয়। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে আগের দেওয়া কঠোর হুঁশিয়ারির অংশটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়। বাকি বক্তব্য প্রায় একই রেখে নতুন যুক্ত করা অংশে বলা হয়, কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ জমা দিলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0