English / বাংলা
Editorial News 24

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

গ্যাস সংকট নিরসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার


প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

গ্যাস সংকট নিরসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার

বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে বাংলাদেশকে জানানো হবে বলে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।তিনি বলেন, ত্রুটিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে। গ্যাস সংকটের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে গত ২৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি চিঠি পাঠান। মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশের শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন চিঠিটি হস্তান্তর করেন।

এদিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন আনোয়ার ইব্রাহিম। আলাপচারিতায় বাংলাদেশের গ্যাস সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সংকট নিরসনে তার সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গ্যাস সংকট সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকালে এফএসআরইউ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আজিজ কাশিমের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তারা সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা সরকারকে আশাবাদী করেছে।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হয় দুটি উৎস থেকে—দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন এবং আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। আমদানিকৃত এলএনজিকে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) মাধ্যমে রিগ্যাসিফিকেশন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।তিনি বলেন, গত সপ্তাহে একটি এফএসআরইউতে ত্রুটি ধরা পড়ার পর বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সেটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। ফলে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের সক্ষমতা কমে যাওয়ায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আবাসিক, শিল্প, বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা এবং আরপিজিসিএল সার্বক্ষণিকভাবে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গ্যাস সংকট নিরসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে বাংলাদেশকে জানানো হবে বলে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।তিনি বলেন, ত্রুটিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে। গ্যাস সংকটের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে গত ২৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি চিঠি পাঠান। মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশের শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন চিঠিটি হস্তান্তর করেন।

এদিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন আনোয়ার ইব্রাহিম। আলাপচারিতায় বাংলাদেশের গ্যাস সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সংকট নিরসনে তার সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গ্যাস সংকট সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকালে এফএসআরইউ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আজিজ কাশিমের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তারা সমস্যার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা সরকারকে আশাবাদী করেছে।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা হয় দুটি উৎস থেকে—দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন এবং আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। আমদানিকৃত এলএনজিকে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) মাধ্যমে রিগ্যাসিফিকেশন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।তিনি বলেন, গত সপ্তাহে একটি এফএসআরইউতে ত্রুটি ধরা পড়ার পর বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সেটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। ফলে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের সক্ষমতা কমে যাওয়ায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আবাসিক, শিল্প, বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা এবং আরপিজিসিএল সার্বক্ষণিকভাবে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0