দেশজুড়ে চলমান গ্যাসসংকট শিগগিরই কাটার সম্ভাবনা নেই। মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। ফলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
এফএসআরইউর ত্রুটি মেরামতে একটি বিশেষজ্ঞ দল গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসেছে। তবে ত্রুটির কারণ শনাক্ত ও মেরামতের কাজ শেষ হতে আরও সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলে গ্যাসসংকট আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ঢাকাসহ আশপাশের অনেক সিএনজি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু স্টেশনে অল্প সময় গ্যাস সরবরাহের পরই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক চালকের দিনের বড় একটি অংশ গ্যাস সংগ্রহ করতেই চলে যাচ্ছে, ফলে আয় কমে আর্থিক সংকটে পড়ছেন তারা।
গ্যাসসংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণীরাও। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেক এলাকায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু এলাকায় গভীর রাতে গ্যাসের চাপ সামান্য বাড়লে তখন রান্নাসহ জরুরি কাজ সারতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেকে মাটির চুলা, এলপিজি সিলিন্ডার, ইলেকট্রিক চুলা ও রাইস কুকার ব্যবহার করছেন।এদিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবিতে ঢাকার মিরপুর, মোহাম্মদপুর, সিদ্ধিরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েকদিনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
দেশজুড়ে চলমান গ্যাসসংকট শিগগিরই কাটার সম্ভাবনা নেই। মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। ফলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
এফএসআরইউর ত্রুটি মেরামতে একটি বিশেষজ্ঞ দল গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসেছে। তবে ত্রুটির কারণ শনাক্ত ও মেরামতের কাজ শেষ হতে আরও সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলে গ্যাসসংকট আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ঢাকাসহ আশপাশের অনেক সিএনজি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু স্টেশনে অল্প সময় গ্যাস সরবরাহের পরই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক চালকের দিনের বড় একটি অংশ গ্যাস সংগ্রহ করতেই চলে যাচ্ছে, ফলে আয় কমে আর্থিক সংকটে পড়ছেন তারা।
গ্যাসসংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণীরাও। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেক এলাকায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু এলাকায় গভীর রাতে গ্যাসের চাপ সামান্য বাড়লে তখন রান্নাসহ জরুরি কাজ সারতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেকে মাটির চুলা, এলপিজি সিলিন্ডার, ইলেকট্রিক চুলা ও রাইস কুকার ব্যবহার করছেন।এদিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবিতে ঢাকার মিরপুর, মোহাম্মদপুর, সিদ্ধিরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েকদিনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন