সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি নদ-নদীর পানি বাড়ছে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার প্রকাশিত কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কিছুটা কমলেও আগামী তিন দিনের মধ্যে এসব নদীর পানি আবার বাড়তে পারে। কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে, যা উত্তরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে।উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও নদ-নদীর পানি বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবে আগামী তিন দিনে উভয় নদীর পানি বাড়তে পারে। তা সত্ত্বেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি বড় ধরনের অবনতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। এই ধারা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার কিছু এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে ফেনী, মুহুরি, গোমতী ও সেলোনিয়া নদীর পানি গত এক দিনে কমেছে। তবে আগামী এক দিন এসব নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও পরবর্তী দুই দিন পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি নদ-নদীর পানি বাড়ছে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার প্রকাশিত কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কিছুটা কমলেও আগামী তিন দিনের মধ্যে এসব নদীর পানি আবার বাড়তে পারে। কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে, যা উত্তরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে।উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও নদ-নদীর পানি বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবে আগামী তিন দিনে উভয় নদীর পানি বাড়তে পারে। তা সত্ত্বেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি বড় ধরনের অবনতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। এই ধারা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার কিছু এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে ফেনী, মুহুরি, গোমতী ও সেলোনিয়া নদীর পানি গত এক দিনে কমেছে। তবে আগামী এক দিন এসব নদীর পানি কিছুটা বাড়লেও পরবর্তী দুই দিন পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন