English / বাংলা
Editorial News 24

চুনারুঘাট উপজেলার নালমুখ বাজার এলাকায় নদীভাঙন আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে

ভয়াবহ রূপে খোয়াই নদী, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত লোকালয়


প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

ভয়াবহ রূপে খোয়াই নদী, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত লোকালয়

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হবিগঞ্জের খোয়াই নদী। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় একাধিক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেলে দ্রুতগতিতে আশপাশের এলাকায় পানি প্রবেশ করে। প্রবল স্রোতে নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি, সড়ক ও ফসলি জমি তলিয়ে যায়। হঠাৎ বন্যার পানিতে বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই গবাদিপশু, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর এলাকায়ও খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করে। ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জে বাঁধ ভাঙার পর নোয়াবাদ, চরহামুয়া, সুঘর, বনগাঁও, নতুন বাজার, বালিহাটা, কালীগঞ্জ, যাদবপুর, বিষ্ণরামপুর, দক্ষিণচর, রামনগর ও বনদক্ষিণসহ অন্তত ১৫টি গ্রামে দ্রুত পানি ছড়িয়ে পড়ে। অনেক বাড়িতে কোমরসমান পানি উঠেছে। অনেকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছেন।এদিকে চুনারুঘাট উপজেলার নালমুখ বাজার এলাকায় নদীভাঙন আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাসপাড়ার অন্তত ১৫টি পরিবার। পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনাও হুমকির মুখে রয়েছে।শহর রক্ষা বাঁধের মাছুলিয়া পয়েন্টেও দেখা দিয়েছে ভাঙনের আশঙ্কা। স্থানীয় বাসিন্দারা বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলার কারণেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

অন্যদিকে হবিগঞ্জ শহরের কামড়াপুর ও দানিয়ালপুর এলাকার কয়েকটি বাড়িতেও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ভয়াবহ রূপে খোয়াই নদী, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত লোকালয়

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হবিগঞ্জের খোয়াই নদী। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় একাধিক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেলে দ্রুতগতিতে আশপাশের এলাকায় পানি প্রবেশ করে। প্রবল স্রোতে নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি, সড়ক ও ফসলি জমি তলিয়ে যায়। হঠাৎ বন্যার পানিতে বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই গবাদিপশু, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর এলাকায়ও খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করে। ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জে বাঁধ ভাঙার পর নোয়াবাদ, চরহামুয়া, সুঘর, বনগাঁও, নতুন বাজার, বালিহাটা, কালীগঞ্জ, যাদবপুর, বিষ্ণরামপুর, দক্ষিণচর, রামনগর ও বনদক্ষিণসহ অন্তত ১৫টি গ্রামে দ্রুত পানি ছড়িয়ে পড়ে। অনেক বাড়িতে কোমরসমান পানি উঠেছে। অনেকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছেন।এদিকে চুনারুঘাট উপজেলার নালমুখ বাজার এলাকায় নদীভাঙন আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাসপাড়ার অন্তত ১৫টি পরিবার। পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনাও হুমকির মুখে রয়েছে।শহর রক্ষা বাঁধের মাছুলিয়া পয়েন্টেও দেখা দিয়েছে ভাঙনের আশঙ্কা। স্থানীয় বাসিন্দারা বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলার কারণেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

অন্যদিকে হবিগঞ্জ শহরের কামড়াপুর ও দানিয়ালপুর এলাকার কয়েকটি বাড়িতেও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0