কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৪ জনকে, যাদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলছিল। নিখোঁজ কয়েকজনের সন্ধান না মেলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, এপিবিএন, স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছেন।উদ্ধারকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু ও একজন শিক্ষক রয়েছেন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজন মারা যান।
আহতদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে তিনজন ক্যাম্প-৩-এর আইওএম হাসপাতালে, দুজন ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি হাসপাতালে এবং একজন ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের আইওএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া নিহতরা হলেন রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), সালমা (১২) এবং উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসার ওপর পড়ে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে প্রায় ৩০ জন শিশু কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করছিল।ঘটনার পরপরই স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত ছিল।উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুমে উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর আগে গত ৬ জুলাই পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছিল।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৪ জনকে, যাদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলছিল। নিখোঁজ কয়েকজনের সন্ধান না মেলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, এপিবিএন, স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছেন।উদ্ধারকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু ও একজন শিক্ষক রয়েছেন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজন মারা যান।
আহতদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে তিনজন ক্যাম্প-৩-এর আইওএম হাসপাতালে, দুজন ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি হাসপাতালে এবং একজন ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের আইওএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া নিহতরা হলেন রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), সালমা (১২) এবং উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসার ওপর পড়ে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে প্রায় ৩০ জন শিশু কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করছিল।ঘটনার পরপরই স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত ছিল।উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুমে উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর আগে গত ৬ জুলাই পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়েছিল।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন