English / বাংলা
Editorial News 24

একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে কলকাতার সুরক্ষিত সেনা এলাকায় তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তার অবস্থানের দাবি;

কলকাতার সেনা আবাসিক এলাকায় বাংলাদেশের তিন সাবেক জেনারেলের অবস্থানের দাবি


প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

কলকাতার সেনা আবাসিক এলাকায় বাংলাদেশের তিন সাবেক জেনারেলের অবস্থানের দাবি

বাংলাদেশের তিন সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার ভারতের কলকাতার একটি সুরক্ষিত সেনা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করার দাবি করেছে একটি জাতীয় দৈনিক। তবে এ দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ বা ভারতের কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (বরখাস্ত) মো. মুজিবুর রহমান, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন এবং সাবেক মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ বর্তমানে কলকাতার একটি সুরক্ষিত সেনা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মুজিবুর রহমান ও আকবর হোসেন ভারতে যান। পরে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত তদন্ত এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষাপটে মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদও দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, প্রথমদিকে তারা কলকাতার সল্টলেক ও নিউ টাউনের একটি আবাসিক এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করলেও সম্প্রতি তাদের আরও সুরক্ষিত একটি সেনা আবাসিক এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ওই তিন সাবেক কর্মকর্তা ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন বা সরকারি প্রমাণ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।

এছাড়া তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অতীতে গুম, নির্যাতন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, নির্বাচন প্রভাবিত করা এবং ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহে ভূমিকা রাখার মতো বিভিন্ন অভিযোগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার, ভারত সরকার, ভারতীয় সেনাবাহিনী কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থা এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য বা সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া না পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত বলে পর্যবেক্ষকদের মত। যদি ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কোনো সরকারি বক্তব্য, আদালতের নথি বা তদন্তের ফল প্রকাশিত হয়, তাহলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


কলকাতার সেনা আবাসিক এলাকায় বাংলাদেশের তিন সাবেক জেনারেলের অবস্থানের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের তিন সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তার ভারতের কলকাতার একটি সুরক্ষিত সেনা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করার দাবি করেছে একটি জাতীয় দৈনিক। তবে এ দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ বা ভারতের কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (বরখাস্ত) মো. মুজিবুর রহমান, সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন এবং সাবেক মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ বর্তমানে কলকাতার একটি সুরক্ষিত সেনা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মুজিবুর রহমান ও আকবর হোসেন ভারতে যান। পরে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত তদন্ত এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষাপটে মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদও দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, প্রথমদিকে তারা কলকাতার সল্টলেক ও নিউ টাউনের একটি আবাসিক এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করলেও সম্প্রতি তাদের আরও সুরক্ষিত একটি সেনা আবাসিক এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ওই তিন সাবেক কর্মকর্তা ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন বা সরকারি প্রমাণ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।

এছাড়া তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অতীতে গুম, নির্যাতন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, নির্বাচন প্রভাবিত করা এবং ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহে ভূমিকা রাখার মতো বিভিন্ন অভিযোগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার, ভারত সরকার, ভারতীয় সেনাবাহিনী কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থা এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য বা সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া না পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত বলে পর্যবেক্ষকদের মত। যদি ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কোনো সরকারি বক্তব্য, আদালতের নথি বা তদন্তের ফল প্রকাশিত হয়, তাহলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0