English / বাংলা
Editorial News 24

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুশৃঙ্খলতা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর পিজিআর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে

সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের গৌরবের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের গৌরবের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের সাহস, গৌরব এবং আস্থার প্রতীক। পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় সাইবার যুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি ও তথ্যযুদ্ধের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিটি বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।রোববার (৫ জুলাই) প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুশৃঙ্খলতা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর পিজিআর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। এটি পুরো বাহিনীর জন্য গর্বের বিষয়। দায়িত্ব পালনে সদস্যদের নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও ইস্পাত-কঠিন দায়িত্ববোধের প্রশংসা করে তিনি সবাইকে অভিনন্দন জানান।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যদের নিয়েই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট গঠিত। তাই পেশাদারিত্ব, আনুগত্য ও শৃঙ্খলার সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যরা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করবেন—এটাই প্রত্যাশিত।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। সেই ঐতিহ্য ধারণ করে বর্তমান সময়ের বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীকে আরও দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠতে হবে।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার হামলা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ড্রোন প্রযুক্তি এবং তথ্যযুদ্ধ নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু পিজিআর নয়, দেশের প্রতিটি বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।

সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যাতে জনগণ নিজেদের সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। নিরাপত্তা ও জনসম্পৃক্ততার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর ও এসএসএফের মতো বিশেষায়িত বাহিনীগুলোকেও আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, সততা, নিয়মানুবর্তিতা এবং ‘চেইন অব কমান্ড’ কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পিজিআরসহ দেশের সব বাহিনী ভবিষ্যতের যেকোনো চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের গৌরবের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের সাহস, গৌরব এবং আস্থার প্রতীক। পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় সাইবার যুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি ও তথ্যযুদ্ধের মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিটি বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।রোববার (৫ জুলাই) প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুশৃঙ্খলতা ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছর পিজিআর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। এটি পুরো বাহিনীর জন্য গর্বের বিষয়। দায়িত্ব পালনে সদস্যদের নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও ইস্পাত-কঠিন দায়িত্ববোধের প্রশংসা করে তিনি সবাইকে অভিনন্দন জানান।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যদের নিয়েই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট গঠিত। তাই পেশাদারিত্ব, আনুগত্য ও শৃঙ্খলার সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যরা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করবেন—এটাই প্রত্যাশিত।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। সেই ঐতিহ্য ধারণ করে বর্তমান সময়ের বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীকে আরও দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠতে হবে।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার হামলা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ড্রোন প্রযুক্তি এবং তথ্যযুদ্ধ নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু পিজিআর নয়, দেশের প্রতিটি বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।

সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যাতে জনগণ নিজেদের সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। নিরাপত্তা ও জনসম্পৃক্ততার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর ও এসএসএফের মতো বিশেষায়িত বাহিনীগুলোকেও আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, সততা, নিয়মানুবর্তিতা এবং ‘চেইন অব কমান্ড’ কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পিজিআরসহ দেশের সব বাহিনী ভবিষ্যতের যেকোনো চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0