স্বাধীনতা-পরবর্তী পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী শহীদ নায়েক আফাজ উদ্দিন, বীর বিক্রমের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ।
১৯৭৮ সালে তিনি ২০ ইস্ট বেঙ্গলের সদস্য হিসেবে খাগড়াছড়ির পানছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। ৩ জুলাই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে লেফটেন্যান্ট মুস্তাফা হেলালের নেতৃত্বে একটি টহল দল অংশ নেয়। ওই দলে একজন কর্মকর্তা, একজন জেসিও এবং ৩৯ জন সেনাসদস্য ছিলেন। নায়েক আফাজ উদ্দিন টহল দলের ৩ নম্বর সেকশনের সেকশন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টহল দলটি নির্ধারিত এলাকায় পৌঁছে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান শুরু করে। এ সময় নায়েক আফাজ উদ্দিন সাহসিকতার সঙ্গে শত্রুর অবস্থানের দিকে এগিয়ে যান। শত্রুরা পালানোর চেষ্টা করলে তিনি তাদের প্রতিহত করেন এবং একজনকে আটক করতে সক্ষম হন।পালিয়ে যাওয়ার সময় শত্রুপক্ষ একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে তার স্প্লিন্টারে নায়েক আফাজ উদ্দিন গুরুতর আহত হন। ডান বুকে আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তিনি অভিযান চালিয়ে যান এবং এসএমজি দিয়ে শত্রুদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকেন।পরে তাকে দ্রুত পানছড়ি ক্যাম্পে নেওয়া হলেও একই দিন সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
দেশের প্রতি অসামান্য সাহসিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
স্বাধীনতা-পরবর্তী পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী শহীদ নায়েক আফাজ উদ্দিন, বীর বিক্রমের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ।
১৯৭৮ সালে তিনি ২০ ইস্ট বেঙ্গলের সদস্য হিসেবে খাগড়াছড়ির পানছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। ৩ জুলাই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে লেফটেন্যান্ট মুস্তাফা হেলালের নেতৃত্বে একটি টহল দল অংশ নেয়। ওই দলে একজন কর্মকর্তা, একজন জেসিও এবং ৩৯ জন সেনাসদস্য ছিলেন। নায়েক আফাজ উদ্দিন টহল দলের ৩ নম্বর সেকশনের সেকশন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টহল দলটি নির্ধারিত এলাকায় পৌঁছে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান শুরু করে। এ সময় নায়েক আফাজ উদ্দিন সাহসিকতার সঙ্গে শত্রুর অবস্থানের দিকে এগিয়ে যান। শত্রুরা পালানোর চেষ্টা করলে তিনি তাদের প্রতিহত করেন এবং একজনকে আটক করতে সক্ষম হন।পালিয়ে যাওয়ার সময় শত্রুপক্ষ একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে তার স্প্লিন্টারে নায়েক আফাজ উদ্দিন গুরুতর আহত হন। ডান বুকে আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তিনি অভিযান চালিয়ে যান এবং এসএমজি দিয়ে শত্রুদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকেন।পরে তাকে দ্রুত পানছড়ি ক্যাম্পে নেওয়া হলেও একই দিন সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
দেশের প্রতি অসামান্য সাহসিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন