মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকায় বিমান হামলার জেরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফ। বুধবার (১ জুলাই) রাতের এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর ও সাবরাংসহ বিভিন্ন এলাকায় গভীর রাতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তারা জানান, শব্দগুলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকা থেকে ভেসে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে আরাকান আর্মিও পাল্টা গুলি ছুড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানান, সীমান্তের ওপার মংডু ও বুচিডং এলাকায় বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকার জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে। পাশাপাশি নাফ নদীতে কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু, বুচিডং ও রাথিডং এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় আরাকান আর্মি। এরপর থেকেই ওই অঞ্চলে দেশটির সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক বিমান হামলার ঘটনায় সীমান্ত পরিস্থিতি আবারও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকায় বিমান হামলার জেরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফ। বুধবার (১ জুলাই) রাতের এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর ও সাবরাংসহ বিভিন্ন এলাকায় গভীর রাতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তারা জানান, শব্দগুলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকা থেকে ভেসে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে আরাকান আর্মিও পাল্টা গুলি ছুড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানান, সীমান্তের ওপার মংডু ও বুচিডং এলাকায় বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকার জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে। পাশাপাশি নাফ নদীতে কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু, বুচিডং ও রাথিডং এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় আরাকান আর্মি। এরপর থেকেই ওই অঞ্চলে দেশটির সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক বিমান হামলার ঘটনায় সীমান্ত পরিস্থিতি আবারও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন