আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবারের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন (Body-Worn) ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে দেশের যেকোনো পরীক্ষাকেন্দ্র সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উত্তরপত্র মূল্যায়নেও এবার কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। পরীক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, একজন পরীক্ষকের কাছে কম সংখ্যক খাতা দেওয়া হবে এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। দায়িত্বে অবহেলা বা খেয়ালখুশিমতো নম্বর দিলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার তিন সেট প্রশ্ন প্রস্তুত রেখেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র বা গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে পরীক্ষা চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর সব পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
বোর্ডভিত্তিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে পরীক্ষা দিচ্ছে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩৯৩ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী রয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে অংশ নিচ্ছে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এইচএসসি ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সমন্বয়ের বিষয়ে সরকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া সরকার ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে। নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়েছে এবারের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন (Body-Worn) ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল থেকে দেশের যেকোনো পরীক্ষাকেন্দ্র সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উত্তরপত্র মূল্যায়নেও এবার কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। পরীক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, একজন পরীক্ষকের কাছে কম সংখ্যক খাতা দেওয়া হবে এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। দায়িত্বে অবহেলা বা খেয়ালখুশিমতো নম্বর দিলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার তিন সেট প্রশ্ন প্রস্তুত রেখেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র বা গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে পরীক্ষা চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর সব পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
বোর্ডভিত্তিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে পরীক্ষা দিচ্ছে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩৯৩ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী রয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে অংশ নিচ্ছে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এইচএসসি ফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সমন্বয়ের বিষয়ে সরকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা করছে। ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া সরকার ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে। নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন