English / বাংলা
Editorial News 24

পরীক্ষায় অসদুপায়, সাইবার অপরাধ ও সংঘবদ্ধ জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির প্রস্তাব; আধুনিকায়ন হচ্ছে ৪৫ বছরের পুরোনো আইন।

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে বিল



পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে বিল

পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ডিজিটাল জালিয়াতি, সাইবার অপরাধ এবং অসদুপায় অবলম্বন ঠেকাতে বিদ্যমান আইন আরও কঠোর করতে জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।


রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী এএনএম এহসানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।


প্রস্তাবিত বিলে পরীক্ষাকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিল অনুযায়ী, পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস বা অসদুপায় অবলম্বন এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।


এছাড়া কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা জালিয়াতি বা ডিজিটাল কারসাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তি ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।


সরকারের মতে, প্রায় ৪৫ বছর আগের বিদ্যমান আইন বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। তাই ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ এবং পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।


বিলটি এখন সংসদীয় কমিটিতে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবারও জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে বিল

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ডিজিটাল জালিয়াতি, সাইবার অপরাধ এবং অসদুপায় অবলম্বন ঠেকাতে বিদ্যমান আইন আরও কঠোর করতে জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।


রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী এএনএম এহসানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।


প্রস্তাবিত বিলে পরীক্ষাকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিল অনুযায়ী, পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস বা অসদুপায় অবলম্বন এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।


এছাড়া কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা জালিয়াতি বা ডিজিটাল কারসাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তি ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।


সরকারের মতে, প্রায় ৪৫ বছর আগের বিদ্যমান আইন বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। তাই ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ এবং পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে।


বিলটি এখন সংসদীয় কমিটিতে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবারও জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0