আজ (২৮ জুন) নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪০ সালের ২৮ জুন তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির চট্টগ্রাম অঞ্চলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) ধারণাকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করে তুলেছেন ড. ইউনূস। তার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের লাখো প্রান্তিক মানুষের, বিশেষ করে নারীদের, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্রঋণের এই মডেল পরবর্তীতে বিশ্বের বহু দেশে অনুসরণ করা হয়েছে এবং উন্নয়ন অর্থনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তার অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য সম্মানসূচক ডিগ্রি, আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি। ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক ব্যবসা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তাধারা এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষাবিষয়ক ও উন্নয়নমূলক সংগঠন শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই তার অবদান স্মরণ করে শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
আজ (২৮ জুন) নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪০ সালের ২৮ জুন তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির চট্টগ্রাম অঞ্চলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) ধারণাকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করে তুলেছেন ড. ইউনূস। তার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের লাখো প্রান্তিক মানুষের, বিশেষ করে নারীদের, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্রঋণের এই মডেল পরবর্তীতে বিশ্বের বহু দেশে অনুসরণ করা হয়েছে এবং উন্নয়ন অর্থনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তার অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য সম্মানসূচক ডিগ্রি, আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি। ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক ব্যবসা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তাধারা এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত।
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষাবিষয়ক ও উন্নয়নমূলক সংগঠন শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই তার অবদান স্মরণ করে শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন