নাটোর সদর উপজেলার একটি পুকুর থেকে কমল কুমার দাস (৪৫) নামে এক রিকশাচালকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলী ঈদগাঁহ মাঠ সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কমল কুমার দাস তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া মহল্লার মৃত হীরালাল দাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন।
নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, শনিবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন কমল কুমার দাস। পরিবারের সদস্যরা রাতভর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
রোববার সকালে স্থানীয়রা পুকুরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করে। বস্তার মুখ খুলতেই ভেতরে এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। স্থানীয়রা মরদেহটি কমল কুমার দাসের বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসি মনসুর রহমান বলেন, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তদন্ত শুরু করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের ধারণা, কমল কুমার দাসকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে রাজি নয় পুলিশ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
নাটোর সদর উপজেলার একটি পুকুর থেকে কমল কুমার দাস (৪৫) নামে এক রিকশাচালকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলী ঈদগাঁহ মাঠ সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কমল কুমার দাস তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া মহল্লার মৃত হীরালাল দাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন।
নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, শনিবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন কমল কুমার দাস। পরিবারের সদস্যরা রাতভর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
রোববার সকালে স্থানীয়রা পুকুরে একটি বস্তা ভাসতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করে। বস্তার মুখ খুলতেই ভেতরে এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। স্থানীয়রা মরদেহটি কমল কুমার দাসের বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ওসি মনসুর রহমান বলেন, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে জেলা পুলিশের একাধিক টিম তদন্ত শুরু করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের ধারণা, কমল কুমার দাসকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে রাজি নয় পুলিশ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন