পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার পর পুরো কালাইয়া ও দাসপাড়া এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। রাত আটটার দিকে মিছিলটি রিয়াজ মোল্লা বিপণিবিতান এলাকায় পৌঁছালে সার ব্যবসায়ী আবদুল হাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তিনি সরে গিয়ে রক্ষা পান।
এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে আটটার দিকে আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে একদল ব্যক্তি দাসপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিলে অংশ নেওয়া বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। একই সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে মো. আল মামুন (৪০), মো. কাওছার (৩৫) ও মো. মাকসুদুর রহমান (২৮) বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। আরও কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিএনপির দাবি, আবদুল হাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী এবং বিনা উসকানিতে তাঁদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালানো হয়েছে। তবে আবদুল হাইয়ের এক স্বজনের দাবি, প্রথমে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়, এরপরই পাল্টা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আবদুল হাইয়ের বাবা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার পর পুরো কালাইয়া ও দাসপাড়া এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। রাত আটটার দিকে মিছিলটি রিয়াজ মোল্লা বিপণিবিতান এলাকায় পৌঁছালে সার ব্যবসায়ী আবদুল হাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তিনি সরে গিয়ে রক্ষা পান।
এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে আটটার দিকে আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে একদল ব্যক্তি দাসপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিলে অংশ নেওয়া বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। একই সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের মধ্যে মো. আল মামুন (৪০), মো. কাওছার (৩৫) ও মো. মাকসুদুর রহমান (২৮) বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। আরও কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিএনপির দাবি, আবদুল হাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী এবং বিনা উসকানিতে তাঁদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালানো হয়েছে। তবে আবদুল হাইয়ের এক স্বজনের দাবি, প্রথমে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়, এরপরই পাল্টা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আবদুল হাইয়ের বাবা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন