English / বাংলা
Editorial News 24

আল জাজিরার আই-ইউনিটের সাংবাদিকের দাবি, RAW-এর জন্য তথ্য সংগ্রহের অভিযোগে দুই ব্যক্তি আটক

বাংলাদেশে দুই ভারতীয় গুপ্তচর গ্রেপ্তারের দাবি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের



বাংলাদেশে দুই ভারতীয় গুপ্তচর গ্রেপ্তারের দাবি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের

আল জাজিরার ইনভেস্টিগেটিভ ইউনিট (I-Unit)-এর সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের দাবি করেছেন, বাংলাদেশের একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার অভিযানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ থাকা দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এম.বি. ও এস.বি.এস. নামের ওই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সরবরাহ করতেন।

পোস্টে আরও দাবি করা হয়, নজরদারির মাধ্যমে তাদের ভারতের মালদা ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রাথমিক পরীক্ষায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার তথ্য, ম্যাপিং এবং অন্যান্য সংবেদনশীল উপাত্ত পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশে দুই ভারতীয় গুপ্তচর গ্রেপ্তারের দাবি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

আল জাজিরার ইনভেস্টিগেটিভ ইউনিট (I-Unit)-এর সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের দাবি করেছেন, বাংলাদেশের একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার অভিযানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ থাকা দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এম.বি. ও এস.বি.এস. নামের ওই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সরবরাহ করতেন।

পোস্টে আরও দাবি করা হয়, নজরদারির মাধ্যমে তাদের ভারতের মালদা ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের প্রাথমিক পরীক্ষায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার তথ্য, ম্যাপিং এবং অন্যান্য সংবেদনশীল উপাত্ত পাওয়া গেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই এখনও সম্ভব হয়নি।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0