English / বাংলা
Editorial News 24

মেহেদীর লাশ উদ্ধারের পর বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা



মেহেদীর লাশ উদ্ধারের পর বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

লক্ষ্মীপুরের Ramganj Upazila উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের (১৪) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য Anwar Hossain Khanসহ ১৭৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সোমবার রাতে রামগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। ইতোমধ্যে এ মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ জুন বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মুঠোফোন চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে পৃথক একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৯ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই দিন রাত ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ জনতা ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিদ্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী রবিউল হাসান, যিনি উপজেলার দেবনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় বলে জানা গেছে। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার দিন আসামিরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হন এবং পরে হামলা চালান। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জনরোষকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খান বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এদিকে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

Image

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


মেহেদীর লাশ উদ্ধারের পর বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

লক্ষ্মীপুরের Ramganj Upazila উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের (১৪) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য Anwar Hossain Khanসহ ১৭৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সোমবার রাতে রামগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। ইতোমধ্যে এ মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ জুন বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মুঠোফোন চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে পৃথক একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৯ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই দিন রাত ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ জনতা ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিদ্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী রবিউল হাসান, যিনি উপজেলার দেবনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় বলে জানা গেছে। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার দিন আসামিরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হন এবং পরে হামলা চালান। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জনরোষকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খান বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এদিকে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0