নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি সম্পদের উপস্থিতি এখন আর সম্ভাবনার বিষয় নয়, এটি নিশ্চিত। অফশোর এলাকায় কূপ খনন, খনিজ সম্পদ শনাক্তকরণ এবং ভবিষ্যতে সেগুলো উত্তোলনের বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।সোমবার রাজধানীতে বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নৌমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সমুদ্রসীমার বিপুল সম্পদ পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ যে বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চল লাভ করেছে, সেখানে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও তা যথাযথভাবে অনুসন্ধান ও উত্তোলনে পিছিয়ে রয়েছে দেশ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার ইতোমধ্যে তাদের নিজ নিজ সমুদ্র অঞ্চলে অনুসন্ধান ও সম্পদ উত্তোলনের কাজ এগিয়ে নিয়েছে, অথচ বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে। নৌপথে নিরাপদ জাহাজ চলাচল ও নেভিগেশন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান অর্জনের জন্য আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব নৌপথকে সচল, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আধুনিক করে তুলতে হাইড্রোগ্রাফির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদের সঠিক চিহ্নিতকরণ এবং সর্বোত্তম ব্যবহারে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি সম্পদের উপস্থিতি এখন আর সম্ভাবনার বিষয় নয়, এটি নিশ্চিত। অফশোর এলাকায় কূপ খনন, খনিজ সম্পদ শনাক্তকরণ এবং ভবিষ্যতে সেগুলো উত্তোলনের বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।সোমবার রাজধানীতে বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নৌমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সমুদ্রসীমার বিপুল সম্পদ পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ যে বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চল লাভ করেছে, সেখানে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও তা যথাযথভাবে অনুসন্ধান ও উত্তোলনে পিছিয়ে রয়েছে দেশ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার ইতোমধ্যে তাদের নিজ নিজ সমুদ্র অঞ্চলে অনুসন্ধান ও সম্পদ উত্তোলনের কাজ এগিয়ে নিয়েছে, অথচ বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে। নৌপথে নিরাপদ জাহাজ চলাচল ও নেভিগেশন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান অর্জনের জন্য আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এসব নৌপথকে সচল, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আধুনিক করে তুলতে হাইড্রোগ্রাফির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদের সঠিক চিহ্নিতকরণ এবং সর্বোত্তম ব্যবহারে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন