English / বাংলা
Editorial News 24

Transforming How Ocean Data is Shared’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সেমিনারে সামুদ্রিক তথ্য ব্যবস্থাপনা, ব্লু ইকোনমি ও নিরাপদ নৌ-চলাচলের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আয়োজনে উদযাপিত হলো ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬



বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আয়োজনে উদযাপিত হলো ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় সোমবার (২২ জুন) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ (বানৌজা) ঢাকার মাল্টিপারপাস হলে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এছাড়াও সমুদ্র বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, হাইড্রোগ্রাফি ও ওশানোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন’ (Transforming How Ocean Data is Shared)। প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে সমুদ্রসংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, সমুদ্রপথে দেশি-বিদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, ব্লু ইকোনমির বিকাশ এবং সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সামুদ্রিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় উন্নয়ন, মেরিন ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জরিপ কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় ভূমি উন্নয়ন, সমুদ্রসীমা নির্ধারণ এবং গবেষণা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সমুদ্র অঞ্চলকে আরও নিরাপদ, টেকসই ও উৎপাদনশীল করে তোলা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার (IHO) ৭০তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৮৩ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রাঞ্চল ও সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন নদীপথে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নটিক্যাল চার্ট প্রকাশ করে আসছে।

বর্তমানে কাগজে মুদ্রণের পাশাপাশি এসব চার্ট ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও প্রকাশ করা হচ্ছে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৭ মেয়াদে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের (NIOHC) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামে কমিশনের ২৫তম সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্য থেকে অত্যাধুনিক সমুদ্র জরিপ ও গবেষণা জাহাজ ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ সংযোজনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এটি দেশের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ, সমুদ্র গবেষণা এবং সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আয়োজনে উদযাপিত হলো ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় সোমবার (২২ জুন) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ (বানৌজা) ঢাকার মাল্টিপারপাস হলে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এছাড়াও সমুদ্র বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, হাইড্রোগ্রাফি ও ওশানোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন’ (Transforming How Ocean Data is Shared)। প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে সমুদ্রসংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, সমুদ্রপথে দেশি-বিদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, ব্লু ইকোনমির বিকাশ এবং সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সামুদ্রিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় উন্নয়ন, মেরিন ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জরিপ কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় ভূমি উন্নয়ন, সমুদ্রসীমা নির্ধারণ এবং গবেষণা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সমুদ্র অঞ্চলকে আরও নিরাপদ, টেকসই ও উৎপাদনশীল করে তোলা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার (IHO) ৭০তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৮৩ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্রাঞ্চল ও সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন নদীপথে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নটিক্যাল চার্ট প্রকাশ করে আসছে।

বর্তমানে কাগজে মুদ্রণের পাশাপাশি এসব চার্ট ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও প্রকাশ করা হচ্ছে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৭ মেয়াদে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের (NIOHC) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামে কমিশনের ২৫তম সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্য থেকে অত্যাধুনিক সমুদ্র জরিপ ও গবেষণা জাহাজ ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ সংযোজনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এটি দেশের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ, সমুদ্র গবেষণা এবং সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0