টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গড় এলাকার টেলকির জলই গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় বাবা–ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পরিত্যক্ত একটি কূপে ছাগল উদ্ধারের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা ও তাঁর ছেলে নেইমার ম্রং, এবং একই গ্রামের রতন নকরেক ও গাবরিয়েল নকরেক।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, কিছুদিন আগে ওই পরিত্যক্ত কূপে একটি ছাগল পড়ে যায়। শনিবার সকালে প্রথমে গাবরিয়েল নকরেক সেটি উদ্ধারের জন্য কূপে নামেন। কিন্তু অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনো সাড়া না পাওয়ায় একে একে আরও তিনজন কূপে নামেন সাহায্য করতে। এরপর তারাও আর কোনো সাড়া দেননি।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়লে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে মধুপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে কূপ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাস জমা থাকা বা অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গড় এলাকার টেলকির জলই গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় বাবা–ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পরিত্যক্ত একটি কূপে ছাগল উদ্ধারের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা ও তাঁর ছেলে নেইমার ম্রং, এবং একই গ্রামের রতন নকরেক ও গাবরিয়েল নকরেক।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, কিছুদিন আগে ওই পরিত্যক্ত কূপে একটি ছাগল পড়ে যায়। শনিবার সকালে প্রথমে গাবরিয়েল নকরেক সেটি উদ্ধারের জন্য কূপে নামেন। কিন্তু অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনো সাড়া না পাওয়ায় একে একে আরও তিনজন কূপে নামেন সাহায্য করতে। এরপর তারাও আর কোনো সাড়া দেননি।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়লে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে মধুপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে কূপ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার ওসি এ কে এম ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাস জমা থাকা বা অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন