আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত প্রায় ৩৫০ বিদেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির হাসপাতাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের শিক্ষাজীবন ও ইন্টার্নশিপ নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের জটিলতা।
শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ ভারতীয়, যারা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে। হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তাদের অন্য হাসপাতালে মাইগ্রেশন করে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।
তবে ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, অন্য হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করলে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ নাও করতে পারে। তাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী, একই মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশোনা ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপে রয়েছেন। অনেকে দাবি করছেন, এই জটিল পরিস্থিতিতে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এদিকে কিছু শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ভারতীয় দূতাবাস বিষয়টিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে সরাসরি সহায়তা দিতে পারছে না।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং একটি যৌক্তিক সমাধানের জন্য কাজ করছে। দ্রুত সমাধান হলে শিক্ষার্থীরা এই মানসিক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত প্রায় ৩৫০ বিদেশি শিক্ষার্থী বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির হাসপাতাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের শিক্ষাজীবন ও ইন্টার্নশিপ নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের জটিলতা।
শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ ভারতীয়, যারা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়েছে বলে জানা গেছে। হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তাদের অন্য হাসপাতালে মাইগ্রেশন করে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।
তবে ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, অন্য হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করলে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ নাও করতে পারে। তাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী, একই মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশোনা ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপে রয়েছেন। অনেকে দাবি করছেন, এই জটিল পরিস্থিতিতে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এদিকে কিছু শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ভারতীয় দূতাবাস বিষয়টিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে সরাসরি সহায়তা দিতে পারছে না।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং একটি যৌক্তিক সমাধানের জন্য কাজ করছে। দ্রুত সমাধান হলে শিক্ষার্থীরা এই মানসিক অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন